
চট্টগ্রামে বন্যার মাঝে কলাগাছের ভেলায় মরদেহের শেষ যাত্রা
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নে বন্যার তাণ্ডবে মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে। বাধ্য হয়ে এক মৃত ব্যক্তির লাশ কলাগাছের ভেলায় তুলে কবরস্থানে নিয়ে যেতে হয়েছে। শুক্রবার ভোরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ড্রাইভার মোহাম্মদ ফোরকান ইন্তেকাল করলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, চারপাশে পানি থৈথৈ করছিল। কোনো শুকনো জায়গা বা পথ ছিল না। তাই কয়েকটি কলাগাছ জোড়া লাগিয়ে একটি অস্থায়ী ভেলা তৈরি করা হয়। ওই ভেলার ওপর ফোরকানের মরদেহ রাখা হয়। পরে দীর্ঘ পথ পানির ওপর দিয়ে ভাসিয়ে অনেক দূরের এক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানেই তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে এই বন্যার মাঝে মরদেহ বহনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রবল বন্যার কারণে কেঁওচিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফোরকানের বাড়ির আশপাশে দাফনের মতো কোনো উঁচু ভূমি ছিল না। এ কারণেই স্বজনরা বাধ্য হয়ে কলাগাছের ভেলা ব্যবহার করেন। বর্তমানে সেখানকার রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও কৃষিক্ষেত সবকিছুই পানির নিচে।
সম্পর্কিত খবর
নয় অঞ্চলে ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস, জারি সতর্ক সংকেত
বাঁশখালী-সাতকানিয়ায় বন্যার ক্ষত: ১৫৮ কিমি সড়ক ও ৩৩ ব্রিজ ধ্বংস
সংসদে মন্ত্রিসভার নতুন দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমান
চট্টগ্রামে হাসপাতালগুলোতে অনিয়ম, পার্কিং ও নিরাপত্তায় চউকের নোটিশ
ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে তারেক রহমান
সাতকানিয়ায় মাকে মারধর: মাদকাসক্ত ছেলের এক বছরের জেল

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে বন্যার মাঝে কলাগাছের ভেলায় মরদেহের শেষ যাত্রা
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নে বন্যার তাণ্ডবে মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে। বাধ্য হয়ে এক মৃত ব্যক্তির লাশ কলাগাছের ভেলায় তুলে কবরস্থানে নিয়ে যেতে হয়েছে। শুক্রবার ভোরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ড্রাইভার মোহাম্মদ ফোরকান ইন্তেকাল করলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, চারপাশে পানি থৈথৈ করছিল। কোনো শুকনো জায়গা বা পথ ছিল না। তাই কয়েকটি কলাগাছ জোড়া লাগিয়ে একটি অস্থায়ী ভেলা তৈরি করা হয়। ওই ভেলার ওপর ফোরকানের মরদেহ রাখা হয়। পরে দীর্ঘ পথ পানির ওপর দিয়ে ভাসিয়ে অনেক দূরের এক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানেই তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে এই বন্যার মাঝে মরদেহ বহনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রবল বন্যার কারণে কেঁওচিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফোরকানের বাড়ির আশপাশে দাফনের মতো কোনো উঁচু ভূমি ছিল না। এ কারণেই স্বজনরা বাধ্য হয়ে কলাগাছের ভেলা ব্যবহার করেন। বর্তমানে সেখানকার রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও কৃষিক্ষেত সবকিছুই পানির নিচে।
সম্পর্কিত খবর
নয় অঞ্চলে ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস, জারি সতর্ক সংকেত
বাঁশখালী-সাতকানিয়ায় বন্যার ক্ষত: ১৫৮ কিমি সড়ক ও ৩৩…
সংসদে মন্ত্রিসভার নতুন দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমান
চট্টগ্রামে হাসপাতালগুলোতে অনিয়ম, পার্কিং ও নিরাপত্তায় চউকের নোটিশ
ত্রয়োদশ সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে তারেক…
সাতকানিয়ায় মাকে মারধর: মাদকাসক্ত ছেলের এক বছরের জেল