জোরপূর্বক শ্রম অভিযোগ: শুনানি নয়, সমাধানে আগ্রহী বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তরের (ইউএসটিআর) আয়োজিত শুনানি বয়কট করে বরং দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) ওয়াশিংটনে জোরপূর্বক শ্রম ও অতি উৎপাদনের অভিযোগে অনুষ্ঠিতব্য এই শুনানিয় সরকারের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিবর্তে ইউএসটিআরের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি চেয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ঢাকা।
চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অতিরিক্ত সক্ষমতা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে বাংলাদেশের অবস্থান হলো, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি কোনো পণ্য বা কাঁচামাল বাংলাদেশে আমদানি করা হয় না। ফলে মার্কিন ট্যারিফ অ্যাক্টের ৩০৭ ধারা এখানে প্রযোজ্য হবে না বলেই দাবি করছে বাংলাদেশ, যা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) পর্যবেক্ষণেও সমর্থিত।
গত জুন মাসে ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয় ইউএসটিআর। এর প্রেক্ষিতে আয়োজিত শুনানিতে বেশিরভাগ দেশ সরাসরি অংশ না নিয়ে বেসরকারি প্রতিনিধি পাঠালেও, বাংলাদেশ থেকে সরকার বা বেসরকারি কোনো পক্ষই যাচ্ছে না। শুনানির পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবও পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

