
সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গ্রামকেই মূল ভিত্তি মানছে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য গ্রাম ও পল্লি অঞ্চলকেই মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার উদ্যাপিতব্য ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যেক নাগরিককে উন্নয়নের মূলস্রোতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর তার কেন্দ্রবিন্দু হলো পল্লি। কারণ গ্রাম বাংলার উন্নয়ন ছাড়া সমৃদ্ধ দেশ গড়া অসম্ভব। এবারের প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের ভাবনাকেই প্রতিফলিত করে বলেও মনে করেন তিনি। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন এবং কৃষি ও কুটিরশিল্পের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী এই বাণীতে ইতিহাসের দিকেও ফিরে তাকান। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমেই মূলত গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতির স্বপ্ন দেখছে।
সম্পর্কিত খবর
ন্যায় ও মানবিকতার সমাজ গড়তে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান
মহানবীর আদর্শে শান্তির সমাজ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ধোলাইপাড়ায় পথচারীকে ছুরিকাঘাত, হাতেনাতে আটক এক যুবক
১৮ বছর আগের প্রতারণা মামলায় সাজা, গ্রেফতার বিদিশা এরশাদ
পুলিশের সামনে পালানোর চেষ্টা, ২৫০০ ইয়াবাসহ ধরা পড়লেন কারবারি কামরান
কর্ণফুলী চ্যানেলে অবৈধ জাল উচ্ছেদ, নৌ-পথে নিরাপত্তা জোরদার

আরও পড়ুন

সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গ্রামকেই মূল ভিত্তি মানছে সরকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য গ্রাম ও পল্লি অঞ্চলকেই মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার উদ্যাপিতব্য ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যেক নাগরিককে উন্নয়নের মূলস্রোতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর তার কেন্দ্রবিন্দু হলো পল্লি। কারণ গ্রাম বাংলার উন্নয়ন ছাড়া সমৃদ্ধ দেশ গড়া অসম্ভব। এবারের প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের ভাবনাকেই প্রতিফলিত করে বলেও মনে করেন তিনি। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন এবং কৃষি ও কুটিরশিল্পের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী এই বাণীতে ইতিহাসের দিকেও ফিরে তাকান। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমেই মূলত গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতির স্বপ্ন দেখছে।
সম্পর্কিত খবর
ন্যায় ও মানবিকতার সমাজ গড়তে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের…
মহানবীর আদর্শে শান্তির সমাজ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ধোলাইপাড়ায় পথচারীকে ছুরিকাঘাত, হাতেনাতে আটক এক যুবক
১৮ বছর আগের প্রতারণা মামলায় সাজা, গ্রেফতার বিদিশা…
পুলিশের সামনে পালানোর চেষ্টা, ২৫০০ ইয়াবাসহ ধরা পড়লেন…
কর্ণফুলী চ্যানেলে অবৈধ জাল উচ্ছেদ, নৌ-পথে নিরাপত্তা জোরদার