অধ্যাপক ফজলুল হক: যানজটে হতাশ সাংবাদিককে যা দিয়েছিলেন
দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই। আজ তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করায় দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষক ও সমাজবিশ্লেষক হিসেবে তাঁর এই শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর বিদেয়ে শিক্ষাঙ্গন হারিয়েছে এক মহান মানুষকে।
তাঁর সাথে লেখকের কোনো দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল না, তবে একটি ঘটনা স্মৃতিতে চিরদিন অম্লান থাকবে। সম্ভবত করোনা পরবর্তী সময়ে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিনিধি হিসেবে এক বিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল। ওই দিন তীব্র যানজটের কারণে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়। স্যারের মূল বক্তব্য শেষ হয়ে গেলেও সাংবাদিক হিসেবে তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ার হতাশায় পড়তে হয়। সহকর্মীদের কাছ থেকেও পুরো বক্তব্য জানা সম্ভব হচ্ছিল না।

হতাশা সত্ত্বেও সরাসরি স্যারের কাছে গিয়ে নিজের পরিচয় ও যানজটের কথা জানানো হয়। ধারণা করা হয়েছিল, তিনি হয়তো দু-এক মিনিট সময় দিয়ে মৌখিকভাবে কিছু বলে দেবেন। কিন্তু তিনি যা করলেন তা ছিল অবিশ্বাস্য। তিনি সাংবাদিকের সমস্যার কথা বুঝেই বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো নিজের হাতে লিখে দিয়েছিলেন, যা আজও স্মরণে এসে গভীর শ্রদ্ধার জন্ম দেয়।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
অধ্যাপক ফজলুল হক: যানজটে হতাশ সাংবাদিককে যা দিয়েছিলেন
দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই। আজ তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করায় দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষক ও সমাজবিশ্লেষক হিসেবে তাঁর এই শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর বিদেয়ে শিক্ষাঙ্গন হারিয়েছে এক মহান মানুষকে।
তাঁর সাথে লেখকের কোনো দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল না, তবে একটি ঘটনা স্মৃতিতে চিরদিন অম্লান থাকবে। সম্ভবত করোনা পরবর্তী সময়ে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিনিধি হিসেবে এক বিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল। ওই দিন তীব্র যানজটের কারণে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়। স্যারের মূল বক্তব্য শেষ হয়ে গেলেও সাংবাদিক হিসেবে তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ার হতাশায় পড়তে হয়। সহকর্মীদের কাছ থেকেও পুরো বক্তব্য জানা সম্ভব হচ্ছিল না।

হতাশা সত্ত্বেও সরাসরি স্যারের কাছে গিয়ে নিজের পরিচয় ও যানজটের কথা জানানো হয়। ধারণা করা হয়েছিল, তিনি হয়তো দু-এক মিনিট সময় দিয়ে মৌখিকভাবে কিছু বলে দেবেন। কিন্তু তিনি যা করলেন তা ছিল অবিশ্বাস্য। তিনি সাংবাদিকের সমস্যার কথা বুঝেই বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো নিজের হাতে লিখে দিয়েছিলেন, যা আজও স্মরণে এসে গভীর শ্রদ্ধার জন্ম দেয়।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…