
জনগণের দাবির ফসল তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বলছে সুপ্রিম কোর্ট
জনগণের ব্যাপক দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আদালত বলেছে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করেনি, বরং সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের পবিত্রতা নিশ্চিত করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এই ব্যবস্থা ভূমিকা রেখেছে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ গত ২০ নভেম্বর এই রায় দেন। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। গত ১২ মার্চ এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
রায়ে বলা হয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এই ব্যবস্থা অপরিহার্য। ২০১১ সালে প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ যে রায় দিয়েছিলেন, তা এক ধরনের অনুমানমূলক আশঙ্কার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল। আদালত আরও জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বিচ্যুত নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এটি কার্যকর হবে।
সম্পর্কিত খবর
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: প্রকল্পে মেয়াদ-ব্যয় বৃদ্ধি রোধে নতুন পদক্ষেপ
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় পদক্ষেপ: ৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণে প্রকল্প
মাদক নিয়ন্ত্রণে না এলে সমাজ ভেঙে পড়বে: কারবারিদের তালিকার নির্দেশ
পাইপলাইনে ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে নিতে সাত বছর লাগবে: প্রধানমন্ত্রী
দাপ্তরিক যোগাযোগে আর লেখা যাবে না ‘মহামান্য’ কিংবা ‘মাননীয়’
মাদকের দখল নিয়ে ইমরান হত্যা, মূল হোতাসহ গ্রেফতার ৫

আরও পড়ুন

জনগণের দাবির ফসল তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বলছে সুপ্রিম কোর্ট
জনগণের ব্যাপক দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আদালত বলেছে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করেনি, বরং সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের পবিত্রতা নিশ্চিত করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এই ব্যবস্থা ভূমিকা রেখেছে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ গত ২০ নভেম্বর এই রায় দেন। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। গত ১২ মার্চ এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
রায়ে বলা হয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এই ব্যবস্থা অপরিহার্য। ২০১১ সালে প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ যে রায় দিয়েছিলেন, তা এক ধরনের অনুমানমূলক আশঙ্কার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল। আদালত আরও জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বিচ্যুত নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এটি কার্যকর হবে।
সম্পর্কিত খবর
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: প্রকল্পে মেয়াদ-ব্যয় বৃদ্ধি রোধে নতুন…
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় পদক্ষেপ: ৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণে…
মাদক নিয়ন্ত্রণে না এলে সমাজ ভেঙে পড়বে: কারবারিদের…
পাইপলাইনে ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে নিতে সাত বছর…
দাপ্তরিক যোগাযোগে আর লেখা যাবে না ‘মহামান্য’ কিংবা…
মাদকের দখল নিয়ে ইমরান হত্যা, মূল হোতাসহ গ্রেফতার…