প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান পাবেন যা যা সুযোগ-সুবিধা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের পর দলীয় সভায় তাকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়, যার ধারাবাহিকতায় একই দিন বিকেলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নতুন এই দায়িত্বের সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তার জন্য নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয়টিও এখন চূড়ান্ত হয়েছে।
‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’ অনুযায়ী তারেক রহমান প্রতি মাসে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল বেতন পাবেন। এছাড়াও বাসভাড়া বাবদ মাসিক এক লাখ টাকা ভাতা বরাদ্দ রয়েছে, যদিও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সাধারণত সরকারি বাসভবনেই অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কাজে যাতায়াত এবং আবাসিক সুবিধার জন্য সরকার থেকে সম্পূর্ণ খরচ বহন করা হবে।
আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও ভ্রমণ সুবিধারও ব্যবস্থা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে তার জন্য ২৫ লাখ টাকার বীমা কভারেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাহী ক্ষমতার অংশ হিসেবে তার অধীনে দেড় কোটি টাকার একটি স্বেচ্ছাধীন তহবিল থাকবে, যা তিনি প্রয়োজনে ব্যয় করতে পারবেন। দৈনন্দিন খরচের জন্য রয়েছে তিন হাজার টাকার দৈনিক ভাতা।
রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ এই পদে থাকাকালীন তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের নানা খরচের দায়িত্বও বহন করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন এবং অন্যান্য ইউটিলিটি বিল দেবে রাষ্ট্র। পাশাপাশি বিনোদন খাতে তিনি যেসব খরচ করবেন, তাও ভাতা হিসেবে প্রদান করা হবে। ফলে আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা তারেক রহমান পাবেন এই সব সাংবিধানিক ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা।

