
দেশে ৬ বছরে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ হাজারের
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেশে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা ফের সামনে এসেছে। ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে মোট ১৬ হাজার ৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ হাজার ৭১২ জন। এই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ১৪৩ জন।
পরিসংখ্যান বলছে, এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ দিতে হয়েছে বেশিরভাগ কিশোর ও তরুণকে। আহতদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। বেপরোয়া গতি ও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলাই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। প্রায় ৩৪ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আর ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ ঘটেছে ভারী যানবাহনের ধাক্কায়। সংগঠনটি জানায়, চার চাকার গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেল ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ গুণ বেশি।
গণপরিবহন ব্যবস্থা সুলভ না হওয়া ও যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ মোটরসাইকেলে ঝুঁকছেন, যা দুর্ঘটনার হার বাড়াচ্ছে। প্রাণহানি রোধে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি, এতে মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ কমে যেতে পারে। এ ছাড়া ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ ও সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
সম্পর্কিত খবর
মানবসেবায় অবদানে রোটারি পদক পেলেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. রাসকিন
জুলাই দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করলে মূর্খ বা ধান্ধাবাজ: আসিফ নজরুল
নারায়ণগঞ্জে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু
মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতায় ইউএনওদের কাজ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বখ্যাত গুগল-মেটা-টিকটক দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী: আইসিটি মন্ত্রী
প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে তরুণদের নেতৃত্বই সফলতার চাবিকাঠি

আরও পড়ুন

দেশে ৬ বছরে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ হাজারের
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেশে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা ফের সামনে এসেছে। ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে মোট ১৬ হাজার ৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ হাজার ৭১২ জন। এই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ১৪৩ জন।
পরিসংখ্যান বলছে, এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ দিতে হয়েছে বেশিরভাগ কিশোর ও তরুণকে। আহতদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। বেপরোয়া গতি ও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলাই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। প্রায় ৩৪ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আর ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ ঘটেছে ভারী যানবাহনের ধাক্কায়। সংগঠনটি জানায়, চার চাকার গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেল ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ গুণ বেশি।
গণপরিবহন ব্যবস্থা সুলভ না হওয়া ও যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ মোটরসাইকেলে ঝুঁকছেন, যা দুর্ঘটনার হার বাড়াচ্ছে। প্রাণহানি রোধে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি, এতে মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ কমে যেতে পারে। এ ছাড়া ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ ও সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
সম্পর্কিত খবর
মানবসেবায় অবদানে রোটারি পদক পেলেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা.…
জুলাই দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করলে মূর্খ বা ধান্ধাবাজ:…
নারায়ণগঞ্জে গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু
মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতায় ইউএনওদের কাজ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বখ্যাত গুগল-মেটা-টিকটক দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী: আইসিটি মন্ত্রী
প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে তরুণদের নেতৃত্বই সফলতার চাবিকাঠি