
৩ বছরে ২.৭ কোটি কৃষকের কার্ড: চালু হলো ডিজিটাল নিবন্ধন
দেশের কৃষকদের একটি সুশৃঙ্খল ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদানের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে সারা দেশের প্রায় দুই কোটি ৭০ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ শুক্রবার চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে অনলাইনে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইতিমধ্যে ৪৫ হাজার কৃষকের কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। প্রথম বছরে ৪৩ লাখ কৃষককে এই সেবার আওতায় আনা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে, যা সরকারি ভর্তুকি, ঋণ ও কৃষি উপকরণ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রী এ সময় কৃষকদের নিবন্ধনের সময় সঠিক তথ্য প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন কোনো প্রকৃত কৃষক হয়রানির শিকার না হন এবং স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম পরিহার করে শুধুমাত্র যাঁরা কৃষি কাজের সাথে জড়িত তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা নতুন রূপে চসিক মেয়রের বড় উদ্যোগ
চসিক মেয়রের নির্দেশে নতুন রূপে সাজছে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা
‘যৌন ডাক্তার’ আখ্যা ও অনলাইন প্রতারণা: তাসনিম জারার জবাব
রোমে আটকেপড়া বিমানের যাত্রীদের হোটেলে পাঠানো হয়েছে, চলছে মেরামতের কাজ
জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার

আরও পড়ুন

৩ বছরে ২.৭ কোটি কৃষকের কার্ড: চালু হলো ডিজিটাল নিবন্ধন
দেশের কৃষকদের একটি সুশৃঙ্খল ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদানের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে সারা দেশের প্রায় দুই কোটি ৭০ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ শুক্রবার চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে অনলাইনে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইতিমধ্যে ৪৫ হাজার কৃষকের কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। প্রথম বছরে ৪৩ লাখ কৃষককে এই সেবার আওতায় আনা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে, যা সরকারি ভর্তুকি, ঋণ ও কৃষি উপকরণ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রী এ সময় কৃষকদের নিবন্ধনের সময় সঠিক তথ্য প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন কোনো প্রকৃত কৃষক হয়রানির শিকার না হন এবং স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম পরিহার করে শুধুমাত্র যাঁরা কৃষি কাজের সাথে জড়িত তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা নতুন রূপে চসিক মেয়রের বড়…
চসিক মেয়রের নির্দেশে নতুন রূপে সাজছে নগরীর যোগাযোগ…
‘যৌন ডাক্তার’ আখ্যা ও অনলাইন প্রতারণা: তাসনিম জারার…
রোমে আটকেপড়া বিমানের যাত্রীদের হোটেলে পাঠানো হয়েছে, চলছে…
জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার