
বৃষ্টির দাপটে বাস সংকট, রিকশা-সিএনজির দ্বিগুণ ভাড়ায় হায়না কর্মজীবীদের
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসেই রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি আর গণপরিবহনের তীব্র সংকটে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে কর্মজীবীদের। গতকাল রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকেই শ্যামলী ও কল্যাণপুরসহ নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ভোগান্তির এই চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সকাল থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টির কারণে অফিসগামী যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই কর্মস্থলমুখী মানুষের ঢল নামে সড়কে। তবে বৃষ্টির মধ্যে গণপরিবহনের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা। ছাতা বা রেইনকোট নিয়ে বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় যাত্রীদের। অনেকে সড়কের পাশের দোকানের আওতায় আশ্রয় নিয়েছেন। বাসের দীর্ঘ অপেক্ষা আর বৃষ্টিতে ভেজার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মো. কাজল শ্যামলী থেকে খিলক্ষেত নিকুঞ্জে তার অফিসে যাচ্ছিলেন। তিনি জানান, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারলে হাজিরা বাতিল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে রিকশা ও সিএনজি চালকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। যেখানে সাধারণ সময়ে রিকশায় ২০ টাকায় যাওয়া যায়, আজ তা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বাসের দেখা না মেলার কারণে বাধ্য হয়েই রাস্তায় ভিজতে হচ্ছে তাকে।
সম্পর্কিত খবর
নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা নতুন রূপে চসিক মেয়রের বড় উদ্যোগ
চসিক মেয়রের নির্দেশে নতুন রূপে সাজছে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা
‘যৌন ডাক্তার’ আখ্যা ও অনলাইন প্রতারণা: তাসনিম জারার জবাব
রোমে আটকেপড়া বিমানের যাত্রীদের হোটেলে পাঠানো হয়েছে, চলছে মেরামতের কাজ
জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার

আরও পড়ুন

বৃষ্টির দাপটে বাস সংকট, রিকশা-সিএনজির দ্বিগুণ ভাড়ায় হায়না কর্মজীবীদের
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসেই রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি আর গণপরিবহনের তীব্র সংকটে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে কর্মজীবীদের। গতকাল রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকেই শ্যামলী ও কল্যাণপুরসহ নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ভোগান্তির এই চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সকাল থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টির কারণে অফিসগামী যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই কর্মস্থলমুখী মানুষের ঢল নামে সড়কে। তবে বৃষ্টির মধ্যে গণপরিবহনের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা। ছাতা বা রেইনকোট নিয়ে বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় যাত্রীদের। অনেকে সড়কের পাশের দোকানের আওতায় আশ্রয় নিয়েছেন। বাসের দীর্ঘ অপেক্ষা আর বৃষ্টিতে ভেজার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মো. কাজল শ্যামলী থেকে খিলক্ষেত নিকুঞ্জে তার অফিসে যাচ্ছিলেন। তিনি জানান, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারলে হাজিরা বাতিল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে রিকশা ও সিএনজি চালকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। যেখানে সাধারণ সময়ে রিকশায় ২০ টাকায় যাওয়া যায়, আজ তা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অন্যদিকে বাসের দেখা না মেলার কারণে বাধ্য হয়েই রাস্তায় ভিজতে হচ্ছে তাকে।
সম্পর্কিত খবর
নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা নতুন রূপে চসিক মেয়রের বড়…
চসিক মেয়রের নির্দেশে নতুন রূপে সাজছে নগরীর যোগাযোগ…
‘যৌন ডাক্তার’ আখ্যা ও অনলাইন প্রতারণা: তাসনিম জারার…
রোমে আটকেপড়া বিমানের যাত্রীদের হোটেলে পাঠানো হয়েছে, চলছে…
জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার