চট্টগ্রামের খাল-জলপথে পণ্য পরিবহনের পরিকল্পনা, পানি সেবায় পিপিপি সমঝোতা

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫:৪১ পিএম
চট্টগ্রামের খাল-জলপথে পণ্য পরিবহনের পরিকল্পনা, পানি সেবায় পিপিপি সমঝোতা

চট্টগ্রাম মহানগরীর খাল ও জলপথগুলোকে মালামাল পরিবহনের কাজে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে নগরীতে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের উদ্যোগও চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলে এক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এমন ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে নগরীর সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পানি সরবরাহ সেবার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি নতুন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেল গড়ে তুলতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তিন বছর মেয়াদি এই চুক্তি করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড। উদ্যোগটিতে আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাস।

পানির সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে এই সংকট সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় আসা দুটি এলাকায় বলতে গেলে কোনো পানিই নেই। জনগণের কাছে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরীর প্রতিটি বাসিন্দার দোরগোড়ায় স্বচ্ছ পানি পৌঁছে দেওয়ার পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবেই প্রকল্পটি শুরু করা হয়েছে। তবে একা সরকারের পক্ষে তা সম্ভব নয় বলে মনে করেন মন্ত্রী, তাই অংশীদারত্ব অত্যন্ত জরুরি।

অর্থনীতির বদলে যাওয়া বাস্তবতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, একসময় রাষ্ট্রই সব কাজের দায়িত্ব নিলেও এখন তা আর সম্ভব নয়। করদাতার অর্থ যথাযথ খাতে ব্যয় করা প্রয়োজন, এই কারণেই সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মডেল প্রয়োগের পথে হাঁটা হচ্ছে। তিন বছর মেয়াদি এই অংশীদারত্ব সফল হলে নগরীর অন্যান্য এলাকায়ও পানি সরবরাহ সেবা সম্প্রসারণের পথ খুলতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...