নজরুল বর্ষের প্রতিযোগিতার সময়সূচি পরিবর্তন, চলবে ৩১ আগস্ট থেকে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করেছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতিমধ্যে পূর্বের নির্দেশিকা বাতিল করে সংশোধিত নতুন সময়সূচি জারি করা হয়েছে, যা আগামী ৩১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
প্রতিযোগিতার মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার একমাসের বেশি সময় ধরে এই আয়োজন চলবে। মূলত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবরের পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করে ৩১ আগস্ট থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক, কারিগরি এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আগামী ৩১ আগস্ট সকাল ১০টায় একযোগে এর উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে থাকছে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয় এবং নজরুলসংগীত ভিত্তিক একক নৃত্য। প্রাথমিক স্তরের আবৃত্তি পরিবেশনের জন্য ‘ভোর হলো’, ‘খোকার সাধ’, ‘খুকি ও কাঠবিড়ালী’, ‘মোসাহেব’ ও ‘লিচু চোর’ কবিতাগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, কারিগরি ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত কবিতার তালিকায় রয়েছে ‘সংকল্প’, ‘কান্দারি হুঁশিয়ার’, ‘বিদ্রোহী’, ‘মানুষ’ এবং ‘ওমর ফারুক’।
এক নজরে পুরো আয়োজনের সময়সূচি হলো—বিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা সেপ্টেম্বরের ২, ৩, ৬, ৭ ও ৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিকের লড়াই হবে ২২, ২৩, ২৭, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর এবং মাধ্যমিক ও কারিগরির ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ও ২০-২১ সেপ্টেম্বর। জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অক্টোবরের ১ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে এবং বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ১৩, ১৪, ১৫, ২৭ ও ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। অবশেষে, জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত আসর বসবে ২৯, ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। প্রতিটি ধাপের বিজয়ীরা পরবর্তী ধাপে স্থান পাবেন এবং শেষ পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ের সেরারা জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

