
‘যুদ্ধক্ষেত্রের মতো ছিল ঢামেক’: জুলাই আন্দোলনে চিকিৎসকদের লড়াই
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে গত বছরের জুলাই মাসের আন্দোলনের ভয়াবহ স্মৃতি তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা। ওই সময় কারফিউ, সংঘাত আর গুলিবর্ষণের মধ্যেও হাসপাতালটি যেন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তারা।
বর্তমানে অধ্যাপক ও ওএসডি (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ডা. শহিদুল ইসলাম আকন জানান, ১৮, ১৯ ও ২০ জুলাই ছিল সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়। তিনি বলেন, প্রথমে ছররা গুলিতে আক্রান্তরা আসলেও ১৮ তারিখ বিকেল থেকে সরাসরি গুলিবিদ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং মৃত্যুর ঘটনাও বেড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিত অস্ত্রোপচার বন্ধ রেখে সব অপারেশন থিয়েটার (ওটি) শুধুমাত্র আহতদের জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।
ডা. আকন আরও জানান, ২৩ জুলাই তৎকালীন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতালে এসে আহতদের ‘দুষ্কৃতিকারী’ বলে অভিহিত করেন এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল না হওয়ার পরামর্শ দেন। এই ঘটনার জের ধরে ২৫ জুলাই তাকে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। তবে জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরপেক্ষভাবে সবার সেবা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
সম্পর্কিত খবর
বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করছে সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন
ইতিহাসের সাক্ষী ঢাকা মেডিকেল, মানুষের ভরসার ঠিকানা: প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ৪৭১
বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় দিলেন ছাত্রদল নেতারা
মায়ের চিকিৎসায় দেশের ডাক্তারদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শাহবাগের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আরও পড়ুন

‘যুদ্ধক্ষেত্রের মতো ছিল ঢামেক’: জুলাই আন্দোলনে চিকিৎসকদের লড়াই
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে গত বছরের জুলাই মাসের আন্দোলনের ভয়াবহ স্মৃতি তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা। ওই সময় কারফিউ, সংঘাত আর গুলিবর্ষণের মধ্যেও হাসপাতালটি যেন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তারা।
বর্তমানে অধ্যাপক ও ওএসডি (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ডা. শহিদুল ইসলাম আকন জানান, ১৮, ১৯ ও ২০ জুলাই ছিল সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়। তিনি বলেন, প্রথমে ছররা গুলিতে আক্রান্তরা আসলেও ১৮ তারিখ বিকেল থেকে সরাসরি গুলিবিদ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং মৃত্যুর ঘটনাও বেড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়মিত অস্ত্রোপচার বন্ধ রেখে সব অপারেশন থিয়েটার (ওটি) শুধুমাত্র আহতদের জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।
ডা. আকন আরও জানান, ২৩ জুলাই তৎকালীন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতালে এসে আহতদের ‘দুষ্কৃতিকারী’ বলে অভিহিত করেন এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল না হওয়ার পরামর্শ দেন। এই ঘটনার জের ধরে ২৫ জুলাই তাকে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। তবে জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরপেক্ষভাবে সবার সেবা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
সম্পর্কিত খবর
বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করছে সশস্ত্র বাহিনী ও…
ইতিহাসের সাক্ষী ঢাকা মেডিকেল, মানুষের ভরসার ঠিকানা: প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ৪৭১
বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় দিলেন ছাত্রদল নেতারা
মায়ের চিকিৎসায় দেশের ডাক্তারদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শাহবাগের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার