মায়ের চিকিৎসায় দেশের ডাক্তারদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের চিকিৎসকদের প্রশংসা করে বলেছেন, তার মায়ের জন্য এদেশের চিকিৎসকরা যে মানবিক সেবা দিয়েছেন, তা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তেই পাওয়া সম্ভব ছিল না।
শনিবার (১১ জুলাই) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তারেক রহমান জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা তার মাকে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। প্রতিটি মুহূর্তে তারা রোগীর প্রতি সর্বোচ্চ যত্ন ও আন্তরিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মায়ের মৃত্যুর আগে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে তিনি মনে করেছিলেন, বিদেশে হয়তো উন্নত প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি পাওয়া যেত, কিন্তু এখানকার চিকিৎসকদের প্রতি মুহূর্তের সেবা ও মানবিক আচরণ সেখানে পাওয়া অসম্ভব। তাই তাকে দেশেই রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও যোগ করেন, জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মায়ের পাশে থেকে সেবা দেওয়ার জন্য তিনি ওই সব চিকিৎসকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
মায়ের চিকিৎসায় দেশের ডাক্তারদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের চিকিৎসকদের প্রশংসা করে বলেছেন, তার মায়ের জন্য এদেশের চিকিৎসকরা যে মানবিক সেবা দিয়েছেন, তা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তেই পাওয়া সম্ভব ছিল না।
শনিবার (১১ জুলাই) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তারেক রহমান জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা তার মাকে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। প্রতিটি মুহূর্তে তারা রোগীর প্রতি সর্বোচ্চ যত্ন ও আন্তরিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মায়ের মৃত্যুর আগে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে তিনি মনে করেছিলেন, বিদেশে হয়তো উন্নত প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি পাওয়া যেত, কিন্তু এখানকার চিকিৎসকদের প্রতি মুহূর্তের সেবা ও মানবিক আচরণ সেখানে পাওয়া অসম্ভব। তাই তাকে দেশেই রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও যোগ করেন, জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মায়ের পাশে থেকে সেবা দেওয়ার জন্য তিনি ওই সব চিকিৎসকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…