পাহাড় ধসে মৃত্যুরোধে ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য বসতবাড়ি নির্মাণের ঘোষণা
পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করে সরকারিভাবে আবাসন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে ৩০০ ধারায় বিবৃতি প্রদানকালে তিনি জানান, প্রতিবছর পাহাড় ধসে মৃত্যুর ঘটনা রোধে স্থায়ী সমাধানের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হবে। এজন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধসে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিপদগ্রস্ত মানুষদের আশ্রয়ের জন্য ইতোমধ্যে এক হাজারেরও বেশি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ৬৪০টি, বান্দরবানে ২২০টি এবং খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র সক্রিয় রয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রিতদের জন্য খাদ্য, পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রথম দফায় প্রতিটি জেলায় ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল দেওয়ার পর নতুন করে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ এবং কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও প্রতিটি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে। সরকারের খাস জমি ও মন্ত্রণালয়ের জমি ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে প্রাণহানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

