
বোয়ালখালীতে হাতির হামলা: বাড়িঘর ধ্বংস, আতঙ্কে এলাকাবাসী
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় থেকে নেমে আসা বন্যহাতির দল ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা, ধোরলা ও করলডেঙ্গা গ্রামে প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে হাতিগুলো। এতে ঘরবাড়ির সীমানা প্রাচীর, ফসলি জমি ও গাছপালা বিধ্বস্ত হচ্ছে।
গত শনিবার গভীর রাতে জ্যৈষ্ঠপুরা ফতেয়ারখীলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়ির দেয়াল ভেঙে দিয়েছে হাতির পাল। তিনি জানান, রাত দুইটার দিকে দুটি হাতি এসে সবজি ক্ষেত ও গাছ নষ্ট করে প্রায় অর্ধলাখ টাকার ক্ষতি করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোররাতে একই এলাকার আবু সুফিয়ানের বাড়িতে ঢুকে গাছ থেকে কাঁঠাল খেয়ে ফেলে হাতিগুলো।
শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী জানান, বর্তমান বৃষ্টির মৌসুম এবং হাতির মশাল দেখে ভয় না পাওয়ায় স্থানীয়দের পক্ষে তাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে দিনের বেলা পাহাড়ে থাকলেও সন্ধ্যার পর খাবারের সন্ধানে গ্রামে নেমে আসে তারা। জানমালের নিরাপত্তায় গ্রামবাসীকে রাত জাগিয়ে পাহারা দিতে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সম্পর্কিত খবর
ফুলবাড়িয়ার নতুন ভবন উদ্বোধন, জনসেবার মান উন্নয়নে সরকারের গতিপথ
পুলিশে বড় রদবদল: তিন রেঞ্জের দায়িত্বে নতুন ডিআইজি
ফরিদপুর ও ঝালকাঠিতে নতুন এসপি, তিন রেঞ্জে ডিআইজি পরিবর্তন
পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে চট্টগ্রামে দুই দোকানকে জরিমানা, জব্দ ২৬৫ কেজি…
পেনশন প্রক্রিয়া সহজ করতে অর্থ বিভাগে কল্যাণ কর্মকর্তা নিয়োগ
পিজিআরের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

আরও পড়ুন

বোয়ালখালীতে হাতির হামলা: বাড়িঘর ধ্বংস, আতঙ্কে এলাকাবাসী
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় থেকে নেমে আসা বন্যহাতির দল ত্রাস সৃষ্টি করেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা, ধোরলা ও করলডেঙ্গা গ্রামে প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে হাতিগুলো। এতে ঘরবাড়ির সীমানা প্রাচীর, ফসলি জমি ও গাছপালা বিধ্বস্ত হচ্ছে।
গত শনিবার গভীর রাতে জ্যৈষ্ঠপুরা ফতেয়ারখীলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়ির দেয়াল ভেঙে দিয়েছে হাতির পাল। তিনি জানান, রাত দুইটার দিকে দুটি হাতি এসে সবজি ক্ষেত ও গাছ নষ্ট করে প্রায় অর্ধলাখ টাকার ক্ষতি করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোররাতে একই এলাকার আবু সুফিয়ানের বাড়িতে ঢুকে গাছ থেকে কাঁঠাল খেয়ে ফেলে হাতিগুলো।
শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরী জানান, বর্তমান বৃষ্টির মৌসুম এবং হাতির মশাল দেখে ভয় না পাওয়ায় স্থানীয়দের পক্ষে তাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে দিনের বেলা পাহাড়ে থাকলেও সন্ধ্যার পর খাবারের সন্ধানে গ্রামে নেমে আসে তারা। জানমালের নিরাপত্তায় গ্রামবাসীকে রাত জাগিয়ে পাহারা দিতে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সম্পর্কিত খবর
ফুলবাড়িয়ার নতুন ভবন উদ্বোধন, জনসেবার মান উন্নয়নে সরকারের…
পুলিশে বড় রদবদল: তিন রেঞ্জের দায়িত্বে নতুন ডিআইজি
ফরিদপুর ও ঝালকাঠিতে নতুন এসপি, তিন রেঞ্জে ডিআইজি…
পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে চট্টগ্রামে দুই দোকানকে জরিমানা, জব্দ…
পেনশন প্রক্রিয়া সহজ করতে অর্থ বিভাগে কল্যাণ কর্মকর্তা…
পিজিআরের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা