
মেয়াদ শেষের পরও কোন আইনে চসিক মেয়রের দায়িত্ব, প্রশ্ন হেলালীর
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র পদে থাকা ডা. শাহাদাত হোসেনের দায়িত্ব পালনের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী। একইসঙ্গে নগর কর্তৃপক্ষের ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাজেট পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়া সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হেলালী বলেন, ডা. শাহাদাত হোসেনের মেয়াদকাল চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে। এর পরও তিনি কোন আইনের অধীনে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন এবং কীভাবে নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের এখতিয়ার পেলেন, সে বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। তিনি মনে করেন, সিটি করপোরেশনের বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি নগর উন্নয়নের রূপরেখা ও নাগরিকদের প্রত্যাশার প্রতিফলন, যা ঘোষিত বাজেটে ঠিকমতো ফুটে ওঠেনি।
নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী এবং নাগরিক সমাজের মতামত না নিয়ে বাজেট তৈরি করায় এটি বাস্তব চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হবে বলে অভিমত পোষণ করেন এই মেয়র প্রার্থী। তিনি আরও বলেন, চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকায় বাজেট বাস্তবায়নে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কঠিন হবে এবং এতে অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ও প্রশাসনিক সংস্কারের অনুপস্থিতিতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ঢাবির ১০৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, কালের দাবি আধুনিকায়ন
ঋণখেলাপি আসলামের মনোনয়ন বাতিল: সংসদে প্রশ্ন জামায়াতের এমপির
চসিক মেয়রের দায়িত্ব পালনের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন, বাজেট পুনর্বিবেচনার…
সাইবার বুলিংয়ের শিকার নারীরা, নিরাপদ স্পেস চেয়েছেন রুমিন ফারহানা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাতিল হলো নৈশভোজ, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা
সংসদে আসলামকে নিয়ে জামায়াত এমপির তোপ, স্পিকার-মন্ত্রীর জবাব

আরও পড়ুন

মেয়াদ শেষের পরও কোন আইনে চসিক মেয়রের দায়িত্ব, প্রশ্ন হেলালীর
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র পদে থাকা ডা. শাহাদাত হোসেনের দায়িত্ব পালনের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী। একইসঙ্গে নগর কর্তৃপক্ষের ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাজেট পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়া সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হেলালী বলেন, ডা. শাহাদাত হোসেনের মেয়াদকাল চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে। এর পরও তিনি কোন আইনের অধীনে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন এবং কীভাবে নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের এখতিয়ার পেলেন, সে বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। তিনি মনে করেন, সিটি করপোরেশনের বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি নগর উন্নয়নের রূপরেখা ও নাগরিকদের প্রত্যাশার প্রতিফলন, যা ঘোষিত বাজেটে ঠিকমতো ফুটে ওঠেনি।
নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী এবং নাগরিক সমাজের মতামত না নিয়ে বাজেট তৈরি করায় এটি বাস্তব চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হবে বলে অভিমত পোষণ করেন এই মেয়র প্রার্থী। তিনি আরও বলেন, চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকায় বাজেট বাস্তবায়নে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কঠিন হবে এবং এতে অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ও প্রশাসনিক সংস্কারের অনুপস্থিতিতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ঢাবির ১০৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, কালের দাবি আধুনিকায়ন
ঋণখেলাপি আসলামের মনোনয়ন বাতিল: সংসদে প্রশ্ন জামায়াতের এমপির
চসিক মেয়রের দায়িত্ব পালনের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন,…
সাইবার বুলিংয়ের শিকার নারীরা, নিরাপদ স্পেস চেয়েছেন রুমিন…
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাতিল হলো নৈশভোজ, সাশ্রয় ৫০ লাখ…
সংসদে আসলামকে নিয়ে জামায়াত এমপির তোপ, স্পিকার-মন্ত্রীর জবাব