ইনট্যাক ২০২৬-এ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া পর্যটন সেতু বাঁধল মাইশা ট্রাভেল

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩:২৮ এএম
ইনট্যাক ২০২৬-এ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া পর্যটন সেতু বাঁধল মাইশা ট্রাভেল

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি প্রদর্শনী ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম, আর্টস অ্যান্ড কালচার এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (ইনট্যাক) ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের ২৫টি দেশের ১৫৫টি বুথ নিয়ে বসা এই মেলায় মালয়েশিযা সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান মাইশা ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস এসডিএন বিএইচডি নিজেদের কার্যক্রম, সক্ষমতা ও সেবার বিস্তৃত পরিধি উপস্থাপন করে। প্রদর্শনীর শেষ দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল উপচে পড়ার মতো, যা পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করে।

আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারে মালয়েশিয়াকে আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ পরিকল্পনা, ট্যুর প্যাকেজ, পর্যটনসেবা এবং বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে মাইশা ট্রাভেল। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে পর্যটক টানা এবং দেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের দরজা খোলার আগ্রহও প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

মাইশা ট্রাভেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মিন্টু এমডি ইসহাক বলেন, এখানে এসে দারুণ অনুভূতি হচ্ছে। বিদেশ থেকে অনেক বড় বড় কোম্পানি অংশ নিয়েছে। আমরা চাই মালয়েশিয়ার কিছু বিনিয়োগকারীকে বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে দেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিতে পারি। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক এসব আয়োজনে বিভিন্ন দেশের পর্যটনপ্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে উঠছে, যা ভবিষ্যতে পর্যটনসেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়িক বন্ধন জোরদার করবে।

উল্লেখ্য, টানা দ্বিতীয়বারের মতো এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ অংশ নেয়। দুটি বুথের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পর্যটন খাতের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবার চিত্র তুলে ধরা হয়। কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ও পর্যটন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এম৩৬০ আইসিটি যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে। মেলার প্রথম দিনেই বাংলাদেশ বুথ পরিদর্শন করেন কুয়ালালামপুরে নিযুক্ত হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে যে বিস্তৃত সম্ভাবনা রয়েছে, তা মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার সঙ্গে থাকা শিল্পীরা চমৎকার পরিবেশনার মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে দেশি-বিদেশি দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। শেষ দিনে বাংলাদেশ বুথে বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি মালয়েশিয়ায় বসবাসরত নানা শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশিদেরও ঢল দেখা যায়। দর্শনার্থীদের দেশের পর্যটন গন্তব্য, ইতিহাস, খাবার ও ভ্রমণসুবিধা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা করছেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে বিশ্বদরবারে আরও পরিচিত করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পর্যটন ও বিনিয়োগ খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...