স্ত্রীর সঙ্গে কলহের অভিমানে বাড্ডায় অটোরিকশাচালকের আত্মহত্যার অভিযোগ
রাজধানীর বাড্ডায় সংসারের কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন বিদ্যুৎ হোসেন (৩০) নামের এক অটোরিকশাচালক। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাড্ডা থানাধীন মেরুল বাড্ডা আনন্দ নগর স্বাধীন বাংলা এলাকার একটি টিনশেড বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা গেছে, স্ত্রীর ভরণপোষণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অভিমানেই লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস দেন এই যুবক।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক জয়ন্ত দত্ত জানান, দুপুর দেড়টা নাগাদ খবর পেয়ে মেরুল বাড্ডা স্বাধীন বাংলা হাঁস-মুরগির আড়তের ভেতরের একটি টিনশেড ঘর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিকেল ৫টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্বজনরা জানান, গত ১২ তারিখে স্ত্রীর সঙ্গে বিদ্যুতের শেষ কথা হয়। তিনি স্ত্রী রুপালি বেগমের ভরণপোষণের খরচও দিতেন না। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চলমান কলহের অভিমানে নিজ রুমের আড়ার সঙ্গে লুঙ্গি বেঁধে আত্মহত্যা করেন বলে দাবি পরিজনদের।
নিহতের শ্যালিকা রত্না বলেন, বোনের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই বিদ্যুৎ ঠিকমতো সংসারের খরচ দিত না। নিয়মিত অটোরিকশাও চালাত না, সে ছিল মাদকাসক্ত। এরপর বোন তার কাছ থেকে চলে এসেছে। তাদের একটি মেয়েসন্তান রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চর এলাকার মো. হানিফ ভান্ডারীর ছেলে বিদ্যুৎ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওই টিনশেডেই একা থাকতেন। পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

