সমালোচনা থাকলেও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ক্ষতিকর নয়: রাশেদ খাঁন
বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়া বা তাদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেওয়া সন্তানদের জন্যই কেবল এই সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রযোজ্য, জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। আইনটি নিয়ে বিরাজ করা বিতর্কের প্রেক্ষাপটে তিনি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এমন অবস্থান ব্যক্ত করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সামগ্রিক বিবেচনায় এই আইন কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয়।
পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শিশির মনির সংশোধিত আইনটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করছেন। আইনটির প্রশংসা জানিয়ে তিনি আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে এসএমএস পাঠিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, এতে তার কাছে কোনো ত্রুটি চোখে পড়েনি।
আইনমন্ত্রীর এক সাক্ষাৎকারের বিষয় তুলে ধরে তিনি লেখেন, শরিয়াহ অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর — হেবা, গিফট বা অন্য যেকোনো রূপেই হোক না কেন — এই আইনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এছাড়া বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষের কথা মাথায় রেখেই আইনটি প্রণীত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। বিরোধী শিবিরের বিজ্ঞ ছায়া আইনমন্ত্রীরও ইতিবাচক মনোভাব থাকায় সমালোচনা সত্ত্বেও আইনটিকে ক্ষতিকর বলা যায় না বলে তার মত।
পোস্টে আরও বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, ক্ষমতায় এলে শরিয়াহ আইন কায়েম করবে না। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চেও শরিয়াহ আইন সংক্রান্ত কোনো দফা চোখে পড়েনি, এমনকি এনসিপিও এ বিষয়ে এ পর্যন্ত নেতিবাচক মন্তব্য করেনি। এই প্রেক্ষাপটে আইনটি নিয়ে উঠে আসা সমালোচনা সার্বিক অর্থে গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে মনে করেন রাশেদ খাঁন।

