নেপালের দুর্যোগে বাংলাদেশের পাশে থাকায় কৃতজ্ঞ নেপালি রাষ্ট্রদূত

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯:৪৫ পিএম
নেপালের দুর্যোগে বাংলাদেশের পাশে থাকায় কৃতজ্ঞ নেপালি রাষ্ট্রদূত

নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের প্রকাশ্য সহানুভূতি ও সংহতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত নেপালি রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী নেপালে হাজারো মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই দুর্যোগে গভীর শোক জানিয়ে বলেন, এই শোকাবহ মুহূর্তে বাংলাদেশের সরকার ও মানুষ প্রতিবেশী নেপালের সরকার ও জনগণের পাশে অবস্থান করছে। আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনার পাশাপাশি তিনি জানান, প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহায়তা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।

বাংলাদেশের এই সহমর্মিতার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি বলেন, সংকটের সময়ে পাশে থাকা দুই দেশের জনগণের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থারই প্রতিফলন। নেপালের সরকার ও মানুষ এই সহানুভূতি চিরকাল কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সৌজন্য বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য এবং বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিস্তারিত আলাপ হয়। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি দুই দেশে ভিন্ন রকম হলেও পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। হিমালয়ের বরফ ও হিমবাহের পরিবর্তন, নদী অববাহিকার পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা, অতিবৃষ্টি ও বন্যার মতো জলবায়ুজনিত দুর্যোগ গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জীবন-জীবিকায় প্রভাব ফেলছে উল্লেখ করে তিনি আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সক্ষমতা বিনিময় সম্প্রসারণের আগ্রহ ব্যক্ত করেন। পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে ঢাকা-কাঠমান্ডুর সহযোগিতা আগামীদিনে আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...