বনানী এক্সপ্রেসওয়েতে শ্বাসরোধে খুন, বাসচালক সোহেল রানাসহ গ্রেফতার ৩
রাজধানীর বনানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মামলায় ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী একটি বাসের চালক সোহেল রানাসহ তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের এক কর্মকর্তা।
আটককৃতরা হলেন— বাসচালক শোয়েল, চালকের সহকারী মনির এবং সুপারভাইজার সাজু। এর আগে র্যাব-১ এর আভিযানিক দল সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন চালক সোহেল রানাকে (৪০) বনানী থানাধীন মহাখালীর ডেডিকেটেড কোভিড হাসাপাতালের সামনে থেকে গ্রেফতার করে।
র্যাব-১ জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে এক ব্যক্তির অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে মিলিয়ে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত হলেন জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫০)। জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে তিনি জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন; পথিমধ্যে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। এরপরই জড়িতদের সন্ধানে ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব।
এদিকে অজ্ঞাত মরদেহের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারকে ঘিরে রোববার ডিএমপির পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন পুরো ঘটনার বিস্তারিত জানাবেন বলে জানানো হয়েছে।

