ঘুষখোররা দশ লাখ বেতন পেলেও অনৈতিক আয় ছাড়বে না: মাহবুব কবীর মিলন
সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্নীতি দমন করা এক আজগুবি চিন্তা। তিনি বলেন, একজন ঘুষখোর কর্মকর্তার বেতন মাসে দশ লাখ টাকা হলেও তিনি অনৈতিক উপার্জন থেকে বিরত থাকবেন না।
গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। মিলন জানান, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের ১ থেকে ২ শতাংশ সৎ কর্মচারীদের জীবন-যাপনের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বেতন বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু অসাধু ব্যক্তিদের জন্য এটি কোনো সমাধান নয়।

মাহবুব কবীর মিলন তার লেখায় একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। ট্রেনে ভ্রমণের সময় দুই পরিচিত কর্মকর্তার সঙ্গে তার আলাপ হয়। তারা বিভাগীয় পরিবর্তন ও অটোমেশনের কারণে ঘুষের আয় কমে যাওয়ায় মন খারাপ করেছিলেন। ওই দুই কর্মকর্তা জানান, আগে তাদের দৈনিক অবৈধ আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা ছিল, যা এখন নেমে এসেছে মাত্র ২ থেকে ৩ হাজারে। মিলন উপসংহারে টেনে বলেন, একটা সময় ছিল যখন অনেক কর্মকর্তার প্রতিদিনের ঘুষের পরিমাণ গড়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ছিল।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
ঘুষখোররা দশ লাখ বেতন পেলেও অনৈতিক আয় ছাড়বে না: মাহবুব কবীর মিলন
সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্নীতি দমন করা এক আজগুবি চিন্তা। তিনি বলেন, একজন ঘুষখোর কর্মকর্তার বেতন মাসে দশ লাখ টাকা হলেও তিনি অনৈতিক উপার্জন থেকে বিরত থাকবেন না।
গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। মিলন জানান, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের ১ থেকে ২ শতাংশ সৎ কর্মচারীদের জীবন-যাপনের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বেতন বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু অসাধু ব্যক্তিদের জন্য এটি কোনো সমাধান নয়।

মাহবুব কবীর মিলন তার লেখায় একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। ট্রেনে ভ্রমণের সময় দুই পরিচিত কর্মকর্তার সঙ্গে তার আলাপ হয়। তারা বিভাগীয় পরিবর্তন ও অটোমেশনের কারণে ঘুষের আয় কমে যাওয়ায় মন খারাপ করেছিলেন। ওই দুই কর্মকর্তা জানান, আগে তাদের দৈনিক অবৈধ আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা ছিল, যা এখন নেমে এসেছে মাত্র ২ থেকে ৩ হাজারে। মিলন উপসংহারে টেনে বলেন, একটা সময় ছিল যখন অনেক কর্মকর্তার প্রতিদিনের ঘুষের পরিমাণ গড়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ছিল।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…