
চট্টগ্রামে বিলাসবহুল গাড়ির অবৈধ চালান আটক, বাজারে মূল্য ১২ কোটি টাকা
চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২ কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ির অংশ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দরের পিসিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দর গোয়েন্দা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন জানান, জাপান থেকে আসা একটি কনটেইনারে এসব গাড়ির অংশ লুকানো ছিল।
সাগর সেন জানান, কনটেইনারটি ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ বা পুরনো গাড়ির খুচরা পার্টস হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা হলেও ভেতরে ছিল লেক্সাস এলএক্স ৬০০, লেক্সাস এসসি ৪৩০ এবং বিএমডব্লিউ এম৫-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পণ্যচালানটি বন্দরে আসার পর প্রায় এক মাস ধরে বিল অব এন্ট্রি দাখিল না করে নিলামের মাধ্যমে তা খালাসের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনটেইনারটি খোলা হলে সেখানে টায়ারসহ বিপুল পরিমাণ গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এই পার্টসগুলো দিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাড়ি তৈরি করা সম্ভব কি না তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এই অবৈধ চালানের বাজার মূল্য প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ থেকে ১২ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে বিলাসবহুল গাড়ির অবৈধ চালান আটক, বাজারে মূল্য ১২ কোটি টাকা
চট্টগ্রাম বন্দরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২ কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ির অংশ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দরের পিসিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দর গোয়েন্দা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক সাগর সেন জানান, জাপান থেকে আসা একটি কনটেইনারে এসব গাড়ির অংশ লুকানো ছিল।
সাগর সেন জানান, কনটেইনারটি ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ বা পুরনো গাড়ির খুচরা পার্টস হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা হলেও ভেতরে ছিল লেক্সাস এলএক্স ৬০০, লেক্সাস এসসি ৪৩০ এবং বিএমডব্লিউ এম৫-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পণ্যচালানটি বন্দরে আসার পর প্রায় এক মাস ধরে বিল অব এন্ট্রি দাখিল না করে নিলামের মাধ্যমে তা খালাসের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনটেইনারটি খোলা হলে সেখানে টায়ারসহ বিপুল পরিমাণ গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এই পার্টসগুলো দিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাড়ি তৈরি করা সম্ভব কি না তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এই অবৈধ চালানের বাজার মূল্য প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ থেকে ১২ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…