
ঢাকায় মৃত্যুর পরও টাকার দাপট, কবর সংরক্ষণে লাখ টাকার লেনদেন
রাজধানী ঢাকায় জীবনযাত্রার খরচ যেমন বাড়ছে, তেমনই মৃত্যুর পর শেষ বিশ্রামের ঠিকানাও দুর্যোগাপন্ন হয়ে উঠেছে। লোকসংখ্যার চাপে সরকারি কবরস্থানগুলোতে এখন স্থানসংকট চরমে। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য একটি কবরের আয়ুষ্কাল এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৮ মাস থেকে দুই বছর। এর মধ্যেই পুরনো কবর সাফ করে সেখানে নতুন করে আরেকজনকে দাফন করতে হচ্ছে। একটি কবরে দশ বছরের মধ্যে পাঁচ থেকে সাতজন মানুষের লাশ দাফন করতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে আর্থিক সামর্থ্য থাকলে এই সংকট থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যায়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন কবরস্থানে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে ২৫ বছর পর্যন্ত কবর সংরক্ষণ করা সম্ভব। এজন্য সর্বোচ্চ খরচ করতে হয় দেড় কোটি টাকা। অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ২০ লাখ টাকা খরচ করলে কবর সংরক্ষণের সুযোগ মিলছে। এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যুর পরও বৈষম্য স্পষ্ট হয়ে ধরা দিচ্ছে।
আড়াই থেকে সাড়ে তিন কোটি মানুষের এই শহরে মৃতদেহ সৎকারের জায়গার সংকট জীবিত মানুষের বসবাসের সংকটের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি। স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাধ্য হয়েই কবরের পুনঃব্যবহার করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। টাকার অভাবে স্থায়ী কবরের স্বপ্ন অনেকের অধরা থেকে যাচ্ছে, যা জনমনে হতাশা তৈরি করছে।
সম্পর্কিত খবর
৫২০০ আবেদন থেকে ৬০ জন: ঢাবিতে শুরু হলো এআই ক্রিয়েটিভ…
যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারে দ্রুতগতির গাড়ির ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের রহস্য: ব্যাংক চেকসহ আটক ৬
কপ-৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নের পাশাপাশি পাটের সম্ভাবনা তুলবে বাংলাদেশ
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, পুলিশকে সতর্কতার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের
হুথি হামলায় রিয়াদ-দাম্মামগামী বিমানের ফ্লাইট স্থগিত, চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত

ঢাকায় মৃত্যুর পরও টাকার দাপট, কবর সংরক্ষণে লাখ টাকার লেনদেন
রাজধানী ঢাকায় জীবনযাত্রার খরচ যেমন বাড়ছে, তেমনই মৃত্যুর পর শেষ বিশ্রামের ঠিকানাও দুর্যোগাপন্ন হয়ে উঠেছে। লোকসংখ্যার চাপে সরকারি কবরস্থানগুলোতে এখন স্থানসংকট চরমে। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য একটি কবরের আয়ুষ্কাল এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৮ মাস থেকে দুই বছর। এর মধ্যেই পুরনো কবর সাফ করে সেখানে নতুন করে আরেকজনকে দাফন করতে হচ্ছে। একটি কবরে দশ বছরের মধ্যে পাঁচ থেকে সাতজন মানুষের লাশ দাফন করতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে আর্থিক সামর্থ্য থাকলে এই সংকট থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যায়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন কবরস্থানে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে ২৫ বছর পর্যন্ত কবর সংরক্ষণ করা সম্ভব। এজন্য সর্বোচ্চ খরচ করতে হয় দেড় কোটি টাকা। অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ২০ লাখ টাকা খরচ করলে কবর সংরক্ষণের সুযোগ মিলছে। এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যুর পরও বৈষম্য স্পষ্ট হয়ে ধরা দিচ্ছে।
আড়াই থেকে সাড়ে তিন কোটি মানুষের এই শহরে মৃতদেহ সৎকারের জায়গার সংকট জীবিত মানুষের বসবাসের সংকটের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি। স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাধ্য হয়েই কবরের পুনঃব্যবহার করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। টাকার অভাবে স্থায়ী কবরের স্বপ্ন অনেকের অধরা থেকে যাচ্ছে, যা জনমনে হতাশা তৈরি করছে।
সম্পর্কিত খবর
৫২০০ আবেদন থেকে ৬০ জন: ঢাবিতে শুরু হলো…
যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারে দ্রুতগতির গাড়ির ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের রহস্য: ব্যাংক চেকসহ…
কপ-৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নের পাশাপাশি পাটের সম্ভাবনা তুলবে…
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, পুলিশকে সতর্কতার নির্দেশ ডিএমপি…
হুথি হামলায় রিয়াদ-দাম্মামগামী বিমানের ফ্লাইট স্থগিত, চলবে ১৮…
