ই-কমার্সে হাজার কোটি টাকার প্রতারণা, শৃঙ্খলায় ফেরাতে ৩ নির্দেশনা
ই-কমার্স খাতে গ্রাহকদের প্রতারণার মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে প্রতারিতদের পাওনা বকেয়া টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। এই পরিস্থিতিতে খাতটির অব্যবস্থাপনা দূর করতে সরকার তিনটি নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রোববার জাতীয় সংসদে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে সম্প্রতি বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব অভিযোগে দাবি করা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, কিউকম, ধামাকা শপিং এবং আলেশা মার্টের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর কারণে সাধারণ মানুষ এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে।
এই বিশৃঙ্খলা রোধে সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, পরিচালনা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি (ডিবিআইডি) নিবন্ধন নির্দেশিকা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ডিবিআইডি চালু হলে প্রতিটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের আইনি তথ্য সরকারের কাছে সংরক্ষিত থাকবে, যা ভুয়া কোম্পানি শনাক্ত ও গ্রাহকদের পাওনা আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

