মিরাজকে তুলে নিয়েছে কোস্টগার্ড, স্বাধীন তদন্তের দাবি নূর খানের
বাগেরহাটের মোংলায় নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখকে (৩০) আটকে রেখেছে কোস্টগার্ড—এমন দাবি করেছেন মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে স্বাধীন কোনো সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নূর খান লিটন বলেন, ১০ এপ্রিল মিরাজকে অপহরণ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও ডিজিটাল প্রমাণ কোস্টগার্ডের কিছু সদস্যের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ জিডি তদন্ত করছে, তবে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সন্দেহের কারণ রয়েছে। তিনি জানান, গোটা বাহিনীকে দায়ী না করলেও নির্দিষ্ট কিছু সদস্যের জড়িত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

এক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে অন্য বাহিনী দিয়ে তদন্ত করানো যথাযথ নয় বলেও মনে করেন এই মানবাধিকারকর্মী। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে স্বাধীন কোনো সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা উচিত।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
মিরাজকে তুলে নিয়েছে কোস্টগার্ড, স্বাধীন তদন্তের দাবি নূর খানের
বাগেরহাটের মোংলায় নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখকে (৩০) আটকে রেখেছে কোস্টগার্ড—এমন দাবি করেছেন মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে স্বাধীন কোনো সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নূর খান লিটন বলেন, ১০ এপ্রিল মিরাজকে অপহরণ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও ডিজিটাল প্রমাণ কোস্টগার্ডের কিছু সদস্যের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ জিডি তদন্ত করছে, তবে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সন্দেহের কারণ রয়েছে। তিনি জানান, গোটা বাহিনীকে দায়ী না করলেও নির্দিষ্ট কিছু সদস্যের জড়িত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

এক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে অন্য বাহিনী দিয়ে তদন্ত করানো যথাযথ নয় বলেও মনে করেন এই মানবাধিকারকর্মী। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে স্বাধীন কোনো সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা উচিত।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…