
সংকট কাটাতে জ্বালানিতে জরুরি টিম গঠনের পরামর্শ সিপিডির
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আর দেরি না করে অবিলম্বে একটি ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে সিপিডি আয়োজিত ‘পোশাক খাতে শিল্প কার্বন নিঃসরণ হ্রাস’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
এই গবেষক জানান, দেশের শিল্প, কৃষি ও আবাসিক—সব খাতেই এখন গ্যাসের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলার ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রচুর গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেলেও বর্তমানে মজুদ কমে আসছে এবং নতুন উৎসের অনুসন্ধান প্রত্যাশিত গতিতে হচ্ছে না। এলএনজি আমদানি হলেও তা স্থায়ী সমাধান দিতে পারছে না বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এই সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো জ্বালানি মিশ্রনে বৈচিত্র্য আনা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, গ্যাসচালিত বয়লারের বিকল্প বের করা এবং যানবাহনে ডিজেলের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির উত্তরণ সম্ভব।
সম্পর্কিত খবর
জলাবদ্ধতা নিরসনে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়, সমন্বিত পরিকল্পনার ডাক অর্থমন্ত্রীর
দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চট্টগ্রামের বুকে, গর্বিত মেয়র শাহাদাত
কিশোর গ্যাং-মাদক দমনে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বিশেষ অভিযান, আটক ১২২৪
গাংনী সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন ঠেকাল বিজিবি, ভারতে ফিরতে বাধ্য চারজন
কানাডার পুলিশ ইউনিফর্মে জায়েদ খান, রহস্যের নাম ‘ভায়োলেন্স’
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নয় নতুন কোনো হামলা, জানালেন ট্রাম্প

সংকট কাটাতে জ্বালানিতে জরুরি টিম গঠনের পরামর্শ সিপিডির
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আর দেরি না করে অবিলম্বে একটি ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ গঠনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে সিপিডি আয়োজিত ‘পোশাক খাতে শিল্প কার্বন নিঃসরণ হ্রাস’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
এই গবেষক জানান, দেশের শিল্প, কৃষি ও আবাসিক—সব খাতেই এখন গ্যাসের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলার ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীনতার পর প্রচুর গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেলেও বর্তমানে মজুদ কমে আসছে এবং নতুন উৎসের অনুসন্ধান প্রত্যাশিত গতিতে হচ্ছে না। এলএনজি আমদানি হলেও তা স্থায়ী সমাধান দিতে পারছে না বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এই সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো জ্বালানি মিশ্রনে বৈচিত্র্য আনা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, গ্যাসচালিত বয়লারের বিকল্প বের করা এবং যানবাহনে ডিজেলের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির উত্তরণ সম্ভব।
সম্পর্কিত খবর
জলাবদ্ধতা নিরসনে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়, সমন্বিত পরিকল্পনার ডাক…
দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চট্টগ্রামের বুকে, গর্বিত মেয়র…
কিশোর গ্যাং-মাদক দমনে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বিশেষ অভিযান, আটক…
গাংনী সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন ঠেকাল বিজিবি, ভারতে ফিরতে…
কানাডার পুলিশ ইউনিফর্মে জায়েদ খান, রহস্যের নাম ‘ভায়োলেন্স’
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নয় নতুন কোনো হামলা,…
