
ঢাকা মেডিকেলে অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু, কাঁথায় মোড়ানো লাশ নিয়ে আজিমপুরে বাবা
রাজধানীর আজিমপুর পুরাতন কবরস্থানে মঙ্গলবার বিকেলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায়। এক দম্পতি তাদের মৃত নবজাতকের লাশ কাঁথায় মুড়ি দিয়ে কবরস্থানে এসে পৌঁছান। নীরবে কাঁদছিলেন মা আর চোখেমুখে হতাশার ছাপ নিয়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবা।
নিহত শিশুর বাবা মো. সোহেল জানান, তাদের বসবাস নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে হলেও তারা পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বাসিন্দা। গত ৮ আগস্ট গভীর রাতে স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই স্ত্রীর অবস্থার অবনতি হলেও চিকিৎসকরা স্বাভাবিক প্রসবের জন্য অপেক্ষা করতে বলেন।
শোকাহত মা মরিয়ম দাবি করেন, হাসপাতালে ভর্তির সময় গর্ভের সন্তান সক্রিয় ছিল। বারবার জানানোর পরও সময়মতো ডাক্তাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। প্রসবে দেরি হওয়ায় জন্মের পরপরই নবজাতকটির মৃত্যু হয় এবং সে কান্নাও করতে পারেনি। অবশেষে চিকিৎসকদের এই গাফলতির খেসারত দিতে হলো তাদের কোল খালি হয়ে যেতে।
সম্পর্কিত খবর
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আলোচনা
ডিজিটাল সেবা তখনই কাজে লাগে যখন দুর্ভোগ কমে: জাইমা
লোডশেডিংয়ের জেরে হামলার শঙ্কায় পল্লী বিদ্যুতের নিরাপত্তা চাওয়া হলো
থাইল্যান্ডে শ্রমবাজারের দরজা খুলছে: বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার আগ্রহ
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে সব শপিংমল
লাখ লাখ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সৃষ্টি, চলছে নির্ভুল তালিকা তৈরির কাজ

আরও পড়ুন

ঢাকা মেডিকেলে অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু, কাঁথায় মোড়ানো লাশ নিয়ে আজিমপুরে বাবা
রাজধানীর আজিমপুর পুরাতন কবরস্থানে মঙ্গলবার বিকেলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায়। এক দম্পতি তাদের মৃত নবজাতকের লাশ কাঁথায় মুড়ি দিয়ে কবরস্থানে এসে পৌঁছান। নীরবে কাঁদছিলেন মা আর চোখেমুখে হতাশার ছাপ নিয়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবা।
নিহত শিশুর বাবা মো. সোহেল জানান, তাদের বসবাস নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে হলেও তারা পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বাসিন্দা। গত ৮ আগস্ট গভীর রাতে স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই স্ত্রীর অবস্থার অবনতি হলেও চিকিৎসকরা স্বাভাবিক প্রসবের জন্য অপেক্ষা করতে বলেন।
শোকাহত মা মরিয়ম দাবি করেন, হাসপাতালে ভর্তির সময় গর্ভের সন্তান সক্রিয় ছিল। বারবার জানানোর পরও সময়মতো ডাক্তাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। প্রসবে দেরি হওয়ায় জন্মের পরপরই নবজাতকটির মৃত্যু হয় এবং সে কান্নাও করতে পারেনি। অবশেষে চিকিৎসকদের এই গাফলতির খেসারত দিতে হলো তাদের কোল খালি হয়ে যেতে।
সম্পর্কিত খবর
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আলোচনা
ডিজিটাল সেবা তখনই কাজে লাগে যখন দুর্ভোগ কমে:…
লোডশেডিংয়ের জেরে হামলার শঙ্কায় পল্লী বিদ্যুতের নিরাপত্তা চাওয়া…
থাইল্যান্ডে শ্রমবাজারের দরজা খুলছে: বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার আগ্রহ
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে…
লাখ লাখ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সৃষ্টি, চলছে নির্ভুল তালিকা…