যুদ্ধের মতো ছিল জুলাই জাদুঘর নির্মাণ, বললেন ফারুকী
সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানিয়েছেন, গত বছরের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার কাজটি ছিল আক্ষরিক অর্থেই এক যুদ্ধ। মঙ্গলবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কাজের মাঝে এই প্রকল্পটি মাত্র এক বছরে শূন্য থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং। তিনি জানান, আগামীকাল বুধবার এই জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
এই প্রকল্পের পেছনের কঠোর পরিশ্রমের কথা তুলে ধরে ফারুকী বলেন, এই কাজের জন্য প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের চিন্তাভাবনা করা হলেও দেখা যায় সেক্ষেত্রে কাজ শেষ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় লাগবে এবং ব্যয় হবে বিপুল। তাই দেশীয় দক্ষতা ও সক্ষমতার ওপর ভরসা করে এগিয়ে যাওয়া হয়। এজন্য তিনি স্থপতি তানজিম ওয়াহাব, স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম, সংশ্লিষ্ট দল এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
ফারুকী জানান, জাদুঘরটি ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে। দর্শনার্থীরা এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’, ফরাসি দৈনিক ‘লা মোঁদ’ এবং জার্মান দৈনিক ‘টাজ’-এর পক্ষ থেকেও এই জাদুঘর নিয়ে ইতিবাচক সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে। টিম লিডার ও আর্টিস্টিক ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কঠোর মনোভাবের জন্য বা কাজের চাপে চিৎকার-চেঁচামেচি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

