মাইলস্টোনের ট্র্যাজেডির এক বছর: এরিকসনের অনুপস্থিতিতে বাবার হাহাকার
রাঙামাটির বুকে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেও ঘরের এক কোণে এখনো ধুলো পড়ছে এরিকসনের প্রিয় সাইকেলে। আলমারিতে ভাঁজ করা পড়ে আছে তার পরা হওয়া হয়নি এমন জামাকাপড়। ২০২৫ সালের ২১ জুলাই ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে এই কিশোরের মৃত্যু হয়। ঘটনার এক বছর পার হলেও সময় থমকে গেছে বাবা উসাইমং মারমা ও তার পরিবারের।
সেদিন গভীর রাতে হঠাৎ শিক্ষিকার ফোন পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন এরিকসনের বাবা। জানতে পারেন, বিমান দুর্ঘটনায় তার ছেলে আহত। উত্তরা থেকে তাকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় এই সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

একমাত্র সন্তানকে হারানোর বেদনায় দিনরাত কাঁদছেন মা, আর বাবা নিজেকে সামলে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। মোবাইলের গ্যালারিতে এখনো দেখা মেলে পাহাড়-নদী ঘুরে বেড়ানো ছেলেটির হাসিমাখা মুখ। রাজস্থলীর খ্যাংদং পাড়ায় কবর দেওয়া হলেও এরিকসন যেন এখনো পরিবারের মাঝেই বেঁচে আছে তার ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমে।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
মাইলস্টোনের ট্র্যাজেডির এক বছর: এরিকসনের অনুপস্থিতিতে বাবার হাহাকার
রাঙামাটির বুকে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেও ঘরের এক কোণে এখনো ধুলো পড়ছে এরিকসনের প্রিয় সাইকেলে। আলমারিতে ভাঁজ করা পড়ে আছে তার পরা হওয়া হয়নি এমন জামাকাপড়। ২০২৫ সালের ২১ জুলাই ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে এই কিশোরের মৃত্যু হয়। ঘটনার এক বছর পার হলেও সময় থমকে গেছে বাবা উসাইমং মারমা ও তার পরিবারের।
সেদিন গভীর রাতে হঠাৎ শিক্ষিকার ফোন পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন এরিকসনের বাবা। জানতে পারেন, বিমান দুর্ঘটনায় তার ছেলে আহত। উত্তরা থেকে তাকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় এই সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

একমাত্র সন্তানকে হারানোর বেদনায় দিনরাত কাঁদছেন মা, আর বাবা নিজেকে সামলে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। মোবাইলের গ্যালারিতে এখনো দেখা মেলে পাহাড়-নদী ঘুরে বেড়ানো ছেলেটির হাসিমাখা মুখ। রাজস্থলীর খ্যাংদং পাড়ায় কবর দেওয়া হলেও এরিকসন যেন এখনো পরিবারের মাঝেই বেঁচে আছে তার ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমে।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…