২০৩০ সালে এক কোটি ঘরের চাহিদা, টেকসই আবাসনে নতুন উদ্যোগ
নিরলস নগরায়নের ফলে বাংলাদেশে গত বিশ বছরে শহরের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থ কর্পোরেশনের (আইএফসি) হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে আবাসনের চাহিদা দাঁড়াবে এক কোটি ৫ লাখ ইউনিটে। এই আবাসন সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও সাশ্রয়ী ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে সোমবার (২০ জুলাই) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় এক অংশীজন পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় এইচবিআরআই-ডেশ নামক একটি জাতীয় লেবেলিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জার্মান সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশে পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল ভবন নির্মাণে নীতিমালা প্রণয়নের পথ সুগম হবে বলে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ ফেরদৌসী বেগম এবং এইচবিআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার। এছাড়া স্থাপত্য অধিদপ্তর, রাজউক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ডিপিডিসির প্রতিনিধিরা এই আলোচনায় অংশ নেন। তারা টেকসই ভবন নির্মাণে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং অর্থায়ন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
২০৩০ সালে এক কোটি ঘরের চাহিদা, টেকসই আবাসনে নতুন উদ্যোগ
নিরলস নগরায়নের ফলে বাংলাদেশে গত বিশ বছরে শহরের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থ কর্পোরেশনের (আইএফসি) হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে আবাসনের চাহিদা দাঁড়াবে এক কোটি ৫ লাখ ইউনিটে। এই আবাসন সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও সাশ্রয়ী ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে সোমবার (২০ জুলাই) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় এক অংশীজন পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় এইচবিআরআই-ডেশ নামক একটি জাতীয় লেবেলিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জার্মান সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশে পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল ভবন নির্মাণে নীতিমালা প্রণয়নের পথ সুগম হবে বলে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ ফেরদৌসী বেগম এবং এইচবিআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার। এছাড়া স্থাপত্য অধিদপ্তর, রাজউক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ডিপিডিসির প্রতিনিধিরা এই আলোচনায় অংশ নেন। তারা টেকসই ভবন নির্মাণে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং অর্থায়ন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…