
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপ, নজরদারিতে প্রধানমন্ত্রী
টানা ভারী বৃষ্টিপাতে দেশে সৃষ্ট বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন এবং উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন—এই তিনটি ধাপে একযোগে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাহদী আমিন জানান, বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। গতকাল এসব জেলার সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল সব বিভাগীয় কমিশনারের সাথেও বৈঠকে বসবেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে চট্টগ্রামে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের মাঠে নামানো হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা ইতোমধ্যেই প্রদান করা হয়েছে। দুই কোটি টাকারও বেশি অর্থ দ্রুত বিতরণ করা হয়েছে এবং যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের মাঝে চাল ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ অব্যাহত আছে। প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
নারী বিষয়ক ৯ম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ…
চট্টগ্রামে বন্যাকবলিতদের পাশে নৌবাহিনী, খাদ্য সহায়তা অব্যাহত
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা থেকে সুয়াবিল ও নাজিরহাটের ৩ ওয়ার্ড বাদের…
ফটিকছড়িতে গ্যারেজে আগুন: পুড়ে গেল দুই অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল
অসুস্থ ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম তলিয়ে: সাত লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপ, নজরদারিতে প্রধানমন্ত্রী
টানা ভারী বৃষ্টিপাতে দেশে সৃষ্ট বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন এবং উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন—এই তিনটি ধাপে একযোগে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মাহদী আমিন জানান, বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। গতকাল এসব জেলার সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল সব বিভাগীয় কমিশনারের সাথেও বৈঠকে বসবেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে চট্টগ্রামে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের মাঠে নামানো হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা ইতোমধ্যেই প্রদান করা হয়েছে। দুই কোটি টাকারও বেশি অর্থ দ্রুত বিতরণ করা হয়েছে এবং যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের মাঝে চাল ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ অব্যাহত আছে। প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
নারী বিষয়ক ৯ম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে যোগ দিতে…
চট্টগ্রামে বন্যাকবলিতদের পাশে নৌবাহিনী, খাদ্য সহায়তা অব্যাহত
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা থেকে সুয়াবিল ও নাজিরহাটের ৩…
ফটিকছড়িতে গ্যারেজে আগুন: পুড়ে গেল দুই অটোরিকশা ও…
অসুস্থ ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম তলিয়ে: সাত লাখের বেশি মানুষ…
