রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কাগজ আমদানি, শতকোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ
বিশ্ববাজারে পাল্পের দাম যখন প্রতি টন ৬৩০ ডলার ছাড়িয়েছে, তখন বাংলাদেশে তৈরি কাগজ আমদানি হচ্ছে মাত্র ৬০০ ডলারে। এই আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে সরকারের কোষাগারে শতকোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমএ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে এ অনিয়ম রোধে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে।
বিপিএমএর সচিব একেএম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, কাঁচামালের দাম ও উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় ফিনিশড কাগজের ন্যূনতম মূল্য ৯৪৫ ডলার হওয়া উচিত। কিন্তু মুদ্রণ শিল্পের কিছু প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিকভাবে ৬০০ ডলার দেখিয়ে কাগজ আমদানি করছে। এতে প্রতি টনে সরকার প্রায় ২২২ ডলার রাজস্ব হারাচ্ছে। বার্ষিক ২০ হাজার টন কাগজ আমদানির হিসাব ধরলে এই খাতে সরকারের মোট লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা।
সংগঠনটির দাবি, এই অনিয়মের কারণে দেশীয় কাগজ শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে। প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ এবং ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের এই খাত রক্ষায় ফিনিশড কাগজের ন্যূনতম কর যোগ্য মূল্য ৯৪৫ ডলার নির্ধারণ করতে হবে। একইসাথে এনসিটিবি অনুমোদিত স্পেসিফিকেশন ছাড়া অন্য যেকোনো ধরনের কাগজ আমদানি নিষিদ্ধ করারও আহ্বান জানিয়েছে তারা।

