ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার চেয়ে সচেতনতাই জরুরি: ড্যাব মহাসচিব
ডেঙ্গু মোকাবিলায় চিকিৎসার তুলনায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বেশি কার্যকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সরকারি তিতুমীর কলেজে আয়োজিত ‘স্বাস্থ্য সচেতনতায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) ভাইস-চেয়ারম্যান ও ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। তিনি বলেন, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতির ওপর ভিত্তি করে এখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চালানো হচ্ছে।
ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল জানান, এডিস মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করা এবং ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে এই রোগের সংক্রমণ অনেকাংশে কমানো যায়। নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ফলে কলেরার প্রকোপ যেমন কমে এসেছে, সচেতনতা বাড়ালে ডেঙ্গুও একইভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই কাজে সমাজের সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এছাড়া তিনি জানান, সরকার এবার স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১.০১ শতাংশ বা ৬৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।
ড্যাব মহাসচিব সতর্ক করে দেন যে, এডিস মশা সাধারণত দিনে কামড়ায়, ফলে ঘরে থাকা শিশু, বয়স্ক এবং শিক্ষার্থীরা এই ঝুঁকিতে থাকেন। মশার কামড় থেকে বাঁচতে পারলেই ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। অন্যথায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়া, রক্ত বমি এবং এমনকি মৃত্যুর মতো মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।

