
নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি সহজ ও শুল্ক কমাচ্ছে সরকার
দেশের বাজারে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এ কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে শুল্ক ও করের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা হচ্ছে। একইসাথে কোনো একক উৎসের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প দেশ থেকেও পণ্য আমদানির সম্ভাব্য উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা মজুতদারির বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্য কেনার সুযোগ রাখতে টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বাজার পরিস্থিতি মনিটর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়মিত বৈঠকে বসা হচ্ছে। সরকার ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণে আন্তরিক বলেও জানান মন্ত্রী।
একাদশ সংসদ নির্বাচন খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর টিসিবি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিত্যপণ্যের দাম বাণিজ্যমন্ত্রী
সম্পর্কিত খবর
প্রথমবারের মতো বড় পদোন্নতি, ১০ ডিসিসহ ১৭২ জন হলেন যুগ্ম…
রপ্তানি আয়ের ৯১ শতাংশই আসে প্রধান কয়েকটি পণ্য থেকে
পাহাড় ধসে মৃত্যুরোধে ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য বসতবাড়ি নির্মাণের ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে কোটি কর্মী পাঠালেও সঠিক হিসাব জানে না সরকার
উপকূলে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, ঢাকাসহ ২০ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার ঝুঁকি
রাশিয়ার যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে নিহত ৪, ফেরাতে কূটনৈতিক…

আরও পড়ুন

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি সহজ ও শুল্ক কমাচ্ছে সরকার
দেশের বাজারে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এ কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে শুল্ক ও করের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা হচ্ছে। একইসাথে কোনো একক উৎসের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প দেশ থেকেও পণ্য আমদানির সম্ভাব্য উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা মজুতদারির বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্য কেনার সুযোগ রাখতে টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বাজার পরিস্থিতি মনিটর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়মিত বৈঠকে বসা হচ্ছে। সরকার ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণে আন্তরিক বলেও জানান মন্ত্রী।
সম্পর্কিত খবর
প্রথমবারের মতো বড় পদোন্নতি, ১০ ডিসিসহ ১৭২ জন…
রপ্তানি আয়ের ৯১ শতাংশই আসে প্রধান কয়েকটি পণ্য…
পাহাড় ধসে মৃত্যুরোধে ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য বসতবাড়ি নির্মাণের ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে কোটি কর্মী পাঠালেও সঠিক হিসাব জানে না…
উপকূলে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, ঢাকাসহ ২০ জেলায় ঝড়ো…
রাশিয়ার যুদ্ধে পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে নিহত ৪,…