
চট্টগ্রামে বন্যায় পানিবন্দি ৩০ হাজার, খোলা হয়েছে ৫৪০ আশ্রয়কেন্দ্র
চট্টগ্রামে অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব দুর্গত মানুষকে আশ্রয় দিতে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে ৫৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের তথ্য মতে, সন্দ্বীপ উপজেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক, যেখানে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। এছাড়া বাঁশখালী, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির বিভিন্ন ইউনিয়নেও জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি সীতাকুণ্ড, রাঙ্গুনিয়া ও নগর এলাকায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
ত্রাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার ও স্যালাইন বিতরণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি তদারকির জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে (ILT20) আজ ছিল বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন। একই দিনে পৃথক দুই ম্যাচে মাঠ মাতালেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। শুধু বল হাতে নয় চট্টগ্রাম ৫ আসন দুর্যোগ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ
সম্পর্কিত খবর
বাণিজ্য বৃদ্ধির আশায় পাক হাইকমিশনারের সঙ্গে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বৈঠক
কর্ণফুলী টানেলে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, ক্ষতিগ্রস্ত হলো ডেকোরেশন
এআই ও ডিপফেকের অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ সরকারের
চামড়া রপ্তানি ১২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সরকারের রোডম্যাপ
শহরজুড়ে সবুজের সমারোহ, জাতীয় পরিবেশ পুরস্কার পাচ্ছেন রকিবুল
জনবদ্ধতার অভাবে বাড়ছে হামের প্রকোপ: বিগত সরকারকে কটাক্ষ জাহিদ হোসেনের

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে বন্যায় পানিবন্দি ৩০ হাজার, খোলা হয়েছে ৫৪০ আশ্রয়কেন্দ্র
চট্টগ্রামে অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব দুর্গত মানুষকে আশ্রয় দিতে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে ৫৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের তথ্য মতে, সন্দ্বীপ উপজেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক, যেখানে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। এছাড়া বাঁশখালী, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির বিভিন্ন ইউনিয়নেও জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি সীতাকুণ্ড, রাঙ্গুনিয়া ও নগর এলাকায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
ত্রাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার ও স্যালাইন বিতরণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি তদারকির জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
সম্পর্কিত খবর
বাণিজ্য বৃদ্ধির আশায় পাক হাইকমিশনারের সঙ্গে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বৈঠক
কর্ণফুলী টানেলে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, ক্ষতিগ্রস্ত হলো ডেকোরেশন
এআই ও ডিপফেকের অপব্যবহার রুখতে কঠোর পদক্ষেপ সরকারের
চামড়া রপ্তানি ১২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সরকারের…
শহরজুড়ে সবুজের সমারোহ, জাতীয় পরিবেশ পুরস্কার পাচ্ছেন রকিবুল
জনবদ্ধতার অভাবে বাড়ছে হামের প্রকোপ: বিগত সরকারকে কটাক্ষ…