
অনলাইন জুয়া এখন ফৌজদারি অপরাধ, সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল
দেশে অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। এখন থেকে সাইবার স্পেসে জুয়া বা জুয়ার প্রচারে জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী জানান, গত ১০ এপ্রিল জারি হওয়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’ এর ২০ ধারার অধীনে অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ তৈরি করে জুয়া পরিচালনা কিংবা এতে অংশ নেওয়া এখন ফৌজদারি অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের জন্য আইনে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের পাশাপাশি উভয় দণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
এদিকে অবৈধ এসব কার্যক্রম বন্ধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ইতিমধ্যেই শক্ত অবস্থানে রয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর গঠিত গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিআইডি একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত কাজ এগিয়ে চলছে।
সম্পর্কিত খবর
সালাম দেওয়া পথশিশুদের খোঁজ নিয়ে দুপুরের খাবার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
মঠবাড়িয়ায় গভীর রাতে বাড়িতে হামলা: বিএনপি নেতা কুপিয়ে আহত, ছেলে…
নিউইয়র্কে প্রথম মুসলিম চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ১২টি সিনেমা
গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে বউভাতে জবাই, গাইবান্ধায় আটক বরের…
পর্যটনে অবদানের স্বীকৃতি: পুরস্কার পেল ১৬ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
জনস্বার্থে ডিএমপির ১১ নিরস্ত্র পরিদর্শককে একযোগে ঢাকার বাইরে বদলি

আরও পড়ুন

অনলাইন জুয়া এখন ফৌজদারি অপরাধ, সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল
দেশে অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। এখন থেকে সাইবার স্পেসে জুয়া বা জুয়ার প্রচারে জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী জানান, গত ১০ এপ্রিল জারি হওয়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’ এর ২০ ধারার অধীনে অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ তৈরি করে জুয়া পরিচালনা কিংবা এতে অংশ নেওয়া এখন ফৌজদারি অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের জন্য আইনে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের পাশাপাশি উভয় দণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
এদিকে অবৈধ এসব কার্যক্রম বন্ধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ইতিমধ্যেই শক্ত অবস্থানে রয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর গঠিত গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিআইডি একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত কাজ এগিয়ে চলছে।
সম্পর্কিত খবর
সালাম দেওয়া পথশিশুদের খোঁজ নিয়ে দুপুরের খাবার দিলেন…
মঠবাড়িয়ায় গভীর রাতে বাড়িতে হামলা: বিএনপি নেতা কুপিয়ে…
নিউইয়র্কে প্রথম মুসলিম চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ১২টি…
গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে বউভাতে জবাই, গাইবান্ধায়…
পর্যটনে অবদানের স্বীকৃতি: পুরস্কার পেল ১৬ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
জনস্বার্থে ডিএমপির ১১ নিরস্ত্র পরিদর্শককে একযোগে ঢাকার বাইরে…