
বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা: রাষ্ট্রের মাসিক আর্থিক ক্ষতি ১৬৫ কোটি টাকা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ সার কারখানাটি গত এক বছর ধরে উৎপাদনে নেই। গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে এই বন্ধাবস্থা চলছে, যার ফলে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে মাসে প্রায় ১৬৫ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
গ্যাস লাইন সংযোগ না থাকায় কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তারা ইতিমধ্যেই গ্যাস সংযোগ পুনরায় চালুর দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার অভিযোগ করেছেন, বিদেশি সার আমদানিকে উৎসাহিত করতে সরকারের অভ্যন্তরে একটি চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখছে।
যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি, কারখানাটির পুরনো অবকাঠামোর কারণে সরকার গ্যাস সরবরাহে অনিহা প্রকাশ করছে। তবে কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা গেলে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই কারখানাটি আবার পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদনে ফিরে আসতে পারবে। শিল্প মহলের মতে, এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাতে হবে এবং সারের দাম বৃদ্ধি পেয়ে কৃষকদের উৎপাদন খরচ বাড়বে।
সম্পর্কিত খবর
মইজ্যারটেক মোড়ে বুলডোজার চালাল সিডিএ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ স্থাপনা
ঢাকাসহ ৬ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, মৌসুমি বায়ু বিদায়ের ইঙ্গিত
বিশ্ব বসতি দিবসে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩ দিনের আবাসন মেলার যাত্রা…
রাজধানীতে পুলিশের তৎপরতায় একদিনেই আটক ৪১৪, মামলা ৫৯; উদ্ধার পিস্তল-ইয়াবা
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে দিল্লির সদিচ্ছা জরুরি বললেন শামা ওবায়েদ
৬৪ জেলার কতটা ঘুরেছেন আপনি? কয়েক ক্লিকেই বানান নিজের ভ্রমণ…

আরও পড়ুন

বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা: রাষ্ট্রের মাসিক আর্থিক ক্ষতি ১৬৫ কোটি টাকা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ সার কারখানাটি গত এক বছর ধরে উৎপাদনে নেই। গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে এই বন্ধাবস্থা চলছে, যার ফলে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে মাসে প্রায় ১৬৫ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
গ্যাস লাইন সংযোগ না থাকায় কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তারা ইতিমধ্যেই গ্যাস সংযোগ পুনরায় চালুর দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার অভিযোগ করেছেন, বিদেশি সার আমদানিকে উৎসাহিত করতে সরকারের অভ্যন্তরে একটি চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখছে।
যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি, কারখানাটির পুরনো অবকাঠামোর কারণে সরকার গ্যাস সরবরাহে অনিহা প্রকাশ করছে। তবে কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা গেলে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই কারখানাটি আবার পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদনে ফিরে আসতে পারবে। শিল্প মহলের মতে, এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাতে হবে এবং সারের দাম বৃদ্ধি পেয়ে কৃষকদের উৎপাদন খরচ বাড়বে।
সম্পর্কিত খবর
মইজ্যারটেক মোড়ে বুলডোজার চালাল সিডিএ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো…
ঢাকাসহ ৬ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, মৌসুমি বায়ু…
বিশ্ব বসতি দিবসে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩ দিনের আবাসন…
রাজধানীতে পুলিশের তৎপরতায় একদিনেই আটক ৪১৪, মামলা ৫৯;…
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে দিল্লির সদিচ্ছা জরুরি বললেন শামা…
৬৪ জেলার কতটা ঘুরেছেন আপনি? কয়েক ক্লিকেই বানান…