ঈদের আগে বাড়ল ডিম-মুরগির দাম, লোকসানে দিশাহারা খামারিরা
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ডিম, মুরগি, ভোজ্যতেল ও মসুর ডালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম ৩৬ থেকে ৪০ টাকা এবং প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি।
খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন খরচের তুলনায় তুলনামূলক কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন প্রান্তিক খামারিরা। প্রতি পিস ডিম উৎপাদনে সাড়ে ৯ টাকা খরচ হলেও তারা খামার পর্যায়ে তা বিক্রি করছেন মাত্র সাড়ে ৬ টাকায়। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের খামারি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম ও আব্দুল মালেক জানান, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের দৌরাত্ম্যের কারণে তারা টানা চার মাস ধরে লোকসান দিচ্ছেন।

এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে পোলট্রি খাতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ছোট খামারিরা ঝরে পড়লে পুরো বাজার কয়েকটি কোম্পানির একচ্ছত্র আধিপত্যে চলে যাবে। অর্থনীতিবিদ মুস্তাফিজুর রহমানও বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সরকারি হস্তক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
ঈদের আগে বাড়ল ডিম-মুরগির দাম, লোকসানে দিশাহারা খামারিরা
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, ডিম, মুরগি, ভোজ্যতেল ও মসুর ডালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম ৩৬ থেকে ৪০ টাকা এবং প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি।
খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন খরচের তুলনায় তুলনামূলক কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন প্রান্তিক খামারিরা। প্রতি পিস ডিম উৎপাদনে সাড়ে ৯ টাকা খরচ হলেও তারা খামার পর্যায়ে তা বিক্রি করছেন মাত্র সাড়ে ৬ টাকায়। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের খামারি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম ও আব্দুল মালেক জানান, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের দৌরাত্ম্যের কারণে তারা টানা চার মাস ধরে লোকসান দিচ্ছেন।

এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে পোলট্রি খাতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ছোট খামারিরা ঝরে পড়লে পুরো বাজার কয়েকটি কোম্পানির একচ্ছত্র আধিপত্যে চলে যাবে। অর্থনীতিবিদ মুস্তাফিজুর রহমানও বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সরকারি হস্তক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…