পাঠকের আগ্রহ
ভাগ্য রজনীতে আল্লাহর রহমত কামনায় দেশজুড়ে ইবাদত
হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ তারিখের পবিত্র শবে বরাত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে সারা দেশে পালিত হয়েছে। হাদিসে এই রাতটিকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য শাবানের রজনী বলা হলেও ফারসিতে এর নাম ভাগ্য রজনী বা শবে বরাত। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় এ রাতে বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ ইবাদতে মশগুল থাকেন।
দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। মুসল্লিরা এই বরকতময় রাতে জাকজমকপূর্ণ ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণের পাশাপাশি রাতভর নফল নামাজ, জিকির-আসকার এবং কোরআন তেলাওয়াত করেন। এছাড়া সৃষ্টিকুলের কল্যাণ ও মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তারা আল্লাহর দরবারে সাহায্য প্রার্থনা করেন। গুনাহ মাফ এবং শান্তিময় জীবনের আকাঙ্ক্ষায় তারা রাত জেগে ইবাদত করেছেন।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে মহান আল্লাহ বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং তাদের দোয়া কবুল করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় সভাগুলোতে বক্তারা মানুষের মনে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে ইসলামের মূল আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মুসল্লিদের বিশ্বাস, এই পবিত্র রাতের মাধ্যমে তারা মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ পান।
আরও পড়ুন
ভাগ্য রজনীতে আল্লাহর রহমত কামনায় দেশজুড়ে ইবাদত
হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ তারিখের পবিত্র শবে বরাত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে সারা দেশে পালিত হয়েছে। হাদিসে এই রাতটিকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য শাবানের রজনী বলা হলেও ফারসিতে এর নাম ভাগ্য রজনী বা শবে বরাত। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় এ রাতে বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ ইবাদতে মশগুল থাকেন।
দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। মুসল্লিরা এই বরকতময় রাতে জাকজমকপূর্ণ ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণের পাশাপাশি রাতভর নফল নামাজ, জিকির-আসকার এবং কোরআন তেলাওয়াত করেন। এছাড়া সৃষ্টিকুলের কল্যাণ ও মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তারা আল্লাহর দরবারে সাহায্য প্রার্থনা করেন। গুনাহ মাফ এবং শান্তিময় জীবনের আকাঙ্ক্ষায় তারা রাত জেগে ইবাদত করেছেন।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে মহান আল্লাহ বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং তাদের দোয়া কবুল করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় সভাগুলোতে বক্তারা মানুষের মনে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে ইসলামের মূল আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মুসল্লিদের বিশ্বাস, এই পবিত্র রাতের মাধ্যমে তারা মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ পান।