২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সব বিভাগকে তাগিদ রেলওয়ের
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব বিভাগকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ আগস্ট রেলওয়ের মাসিক পর্যালোচনা সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন খাতে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্ক্র্যাপ খাত থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির স্বার্থে আহ্বান করা দরপত্রগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ খাতে আয় কমার কারণ চিহ্নিত করে তার সমাধানে পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও সভায় জানানো হয়। পাশাপাশি কমিউটার, লোকাল ও মেইল ট্রেন লিজ প্রদানের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নবনির্মিত স্টেশনগুলোতে দোকান বরাদ্দের জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলো স্ট্যান্ডার্ড কম্পোজিশন অনুযায়ী পরিচালনার ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
নির্দিষ্ট কয়েকটি ট্রেনের কার্যক্রম নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। জয়দেবপুর কমিউটার ৩/৪ এর গত ৬ মাসের যাত্রী সংখ্যা ও আয়ের পরিসংখ্যান পরীক্ষা করে এর পরিচালনা সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে। ১৩৫/১৩৬ নং অভিযাত্রী কমিউটার ট্রেনের টাইমিং পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া ৭৭৫/৭৭৬ নং সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসকে ঈশ্বরদী থেকে পূর্বের রুটে পরিচালনার সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রস্তাবনা প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভূ-সম্পত্তি বিভাগ হিসাব বিভাগের সঙ্গে আয়ের হিসাব রিকনসাইল করে তা পরবর্তী ওআরএম মিটিংয়ে উপস্থাপন করবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিভিন্ন খাতে আয় বাড়ানোর এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী অর্থবছরে রেলওয়ের নিজস্ব রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

