মাতারবাড়ীতে নোঙর ফেলবে ৮ হাজার টিইইউর জাহাজ, এগোচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর
কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে নির্মাণাধীন গভীর সমুদ্র বন্দরে ১৬ মিটার ড্রাফট এবং ৮ হাজার টিইইউ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নোঙর ফেলতে পারবে। পাশাপাশি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামের আধুনিকায়নেও বেশ কিছু উদ্যোগ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে গতিশীল করতে সরকার ইতিমধ্যেই ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী প্রভাব ফেলবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, মাতারবাড়ী বন্দর চালু হলে দেশের বাণিজ্যিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় সংসদের সেই অধিবেশন।
মগনামায় গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ার সিদ্ধান্ত আছে কি না, এমন জিজ্ঞাসার জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট জানান, মগনামাকে ঘিরে কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়টি নেই। বরং কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় জাপানের সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অংশীদারত্বে ‘মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন’ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পিপিপি মডেলে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই টার্মিনাল চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) পরিচালনা করছে বিদেশি অপারেটর রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি), আর বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের সমুদ্র বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে।

