
দাশেরকান্দি প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ, বাঁচবে হাজার কোটি টাকা
সরকার রাজধানীর দাশেরকান্দি পয়োনিষ্কাশন শোধনাগার প্রকল্পকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে চীনের সহযোগিতা চেয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিয়োজিত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ সময় প্রকল্পটির অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বর্তমানে দাশেরকান্দি প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ সংযোগ কার্যকর হলেও বাকি ৭০ শতাংশ এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। প্রকল্পের কার্যকারিতা বাড়াতে গুলশান, বারিধারা ও বনানীর পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে এর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পৃথক প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে প্রতিমন্ত্রী জানান, চীন যদি এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করে, তাহলে সরকারকে নিজস্ব তহবিল থেকে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে না, যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমাবে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে চীনের সম্মতি রয়েছে এবং দ্রুতই এ নিয়ে কাজ শুরু হবে। এই এলাকাগুলো সংযুক্ত হলে রাজধানীর আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের অগ্রগতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পর্কিত খবর
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ১৬২ জনের মৃত্যু, স্পিকারের গভীর শোক
চট্টগ্রামে মদপানে মাতলামি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের ১৫ দিনের জেল
চট্টগ্রামে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পথচারী
মজুরি কোনো দয়া নয়, শ্রমিকের মৌলিক অধিকার: শ্রম সংস্কার কমিশন
ভূমি মন্ত্রী মিনুর দাবি, দুইশ’ বছর ধরেই ভূমি ব্যবস্থায় অনিয়ম…
ইজিবাইক-রিকশার জন্য আলাদা লেন ও চার্জিং স্টেশনের দাবি

আরও পড়ুন

দাশেরকান্দি প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ, বাঁচবে হাজার কোটি টাকা
সরকার রাজধানীর দাশেরকান্দি পয়োনিষ্কাশন শোধনাগার প্রকল্পকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে চীনের সহযোগিতা চেয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিয়োজিত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ সময় প্রকল্পটির অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বর্তমানে দাশেরকান্দি প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ সংযোগ কার্যকর হলেও বাকি ৭০ শতাংশ এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। প্রকল্পের কার্যকারিতা বাড়াতে গুলশান, বারিধারা ও বনানীর পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে এর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পৃথক প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে প্রতিমন্ত্রী জানান, চীন যদি এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করে, তাহলে সরকারকে নিজস্ব তহবিল থেকে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে না, যা রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমাবে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে চীনের সম্মতি রয়েছে এবং দ্রুতই এ নিয়ে কাজ শুরু হবে। এই এলাকাগুলো সংযুক্ত হলে রাজধানীর আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের অগ্রগতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্পর্কিত খবর
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ১৬২ জনের মৃত্যু, স্পিকারের গভীর…
চট্টগ্রামে মদপানে মাতলামি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের ১৫ দিনের…
চট্টগ্রামে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পথচারী
মজুরি কোনো দয়া নয়, শ্রমিকের মৌলিক অধিকার: শ্রম…
ভূমি মন্ত্রী মিনুর দাবি, দুইশ’ বছর ধরেই ভূমি…
ইজিবাইক-রিকশার জন্য আলাদা লেন ও চার্জিং স্টেশনের দাবি