ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর ডব্লিউএইচওর
ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ এবং এর প্রকোপ মোকাবিলায় সরকার ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) কার্যালয়ে আয়োজিত ‘স্বাস্থ্য চর্চা’ শীর্ষক সংলাপে এই সিদ্ধান্তের দিকে ধাবিত হওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, খণ্ডচিত্র নয়, সামগ্রিক বা সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমেই এই মহামারি দমন সম্ভব।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সংলাপে সভাপতিত্ব করেন WHO-এর বাংলাদেশীয় প্রতিনিধি ড. আহমেদ জ্যামশীদ মোহাম্মদ। এতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় ‘ডেঙ্গু: সম্মিলিত উদ্যোগে জীবন সুরক্ষা, সরকার ও সমাজের সমন্বিত পদক্ষেপ’—এই প্রতিপাদ্যটি ফুটিয়ে তোলা হয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট এলাকার ওপর ভিত্তি করে রোগ নজরদারি, ঝুঁকি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা—এই চারটি বিষয় একসাথে নিশ্চিত করতে পারলেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব। এজন্য সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

