স্বৈরাচাররা শিক্ষা-স্বাস্থ্য ধ্বংস করে বিশেষ দেশকে সুবিধা দিয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরে একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল এবং একটি বিশেষ বিদেশি শক্তিকে খুশি করতেই আগের স্বৈরাচারী আমলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যখাতের অবকাঠামো ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য খাতের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তার সহধর্মিণী নিজে একজন চিকিৎসক হওয়ায় তিনি সরাসরি এই খাতের ভোগান্তির কথা জানেন। অতীতের সরকার বিশেষ কোনো দেশকে রোগী রপ্তানি এবং চিকিৎসা বাণিজ্যের একচেটিয়া সুযোগ করে দিতে দেশের বড় হাসপাতালগুলোকে অকেজো করে ফেলেছিল। তিনি মিশরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালের লেখার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে হলে অস্ত্রের প্রয়োজন নেই, শুধু তাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে চোখের সামনে থেকে লুপ্ত করলেই কাজ হয়। আগের স্বৈরাচারীরাও ঠিক এই নীতি অনুসরণ করে বিদেশি স্বার্থে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছিল।
এই অবহেলিত দুই খাতকে ঘুরে দাঁড়াতে বর্তমান সরকার বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের ভোগান্তি লাঘব করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

