
চট্টগ্রামে বন্যার্ত ৪ লাখ মানুষ, ৭ উপজেলায় উদ্ধার তৎপরতায় সেনাবাহিনী
টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রামে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় তাদের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে কাজ শুরু করেছে। লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলার পরিস্থিতি বিশেষ করে উদ্বেগজনক। এছাড়াও বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতেও বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সামগ্রিকভাবে জেলার সাতটি উপজেলায় সেনাবাহিনীর ত্রাণ ও উদ্ধার দল কাজ করছে। দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে উদ্ধার করতে ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে সেনাসদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।
বেসামরিক প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দুর্গত মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
তারুণ্যের ক্ষমতায় সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
পুলিশের নামে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে আন্তঃদেশীয় চক্র, শনাক্ত একাধিক
মিরপুরে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিদর্শন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক
চট্টগ্রামের বন্যায় সহস্রাধিক ঘের-পুকুর ডুবি, শত কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা
বন্যাকবলিত এলাকার উদ্ধার তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শেরেবাংলা নগর ও মুগদায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২৪

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে বন্যার্ত ৪ লাখ মানুষ, ৭ উপজেলায় উদ্ধার তৎপরতায় সেনাবাহিনী
টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রামে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় তাদের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে কাজ শুরু করেছে। লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলার পরিস্থিতি বিশেষ করে উদ্বেগজনক। এছাড়াও বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতেও বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সামগ্রিকভাবে জেলার সাতটি উপজেলায় সেনাবাহিনীর ত্রাণ ও উদ্ধার দল কাজ করছে। দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে উদ্ধার করতে ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে সেনাসদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।
বেসামরিক প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দুর্গত মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
তারুণ্যের ক্ষমতায় সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার…
পুলিশের নামে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে আন্তঃদেশীয় চক্র, শনাক্ত…
মিরপুরে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিদর্শন করলেন ডিএনসিসি…
চট্টগ্রামের বন্যায় সহস্রাধিক ঘের-পুকুর ডুবি, শত কোটি টাকার…
বন্যাকবলিত এলাকার উদ্ধার তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শেরেবাংলা নগর ও মুগদায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার…