
দক্ষিণ চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা: পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ, সংকট তীব্র
টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন পানির নিচে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশের মতো উপজেলাগুলোতে অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এই বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলের পানি এখানকার ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা তলিয়ে দিয়েছে। ওই এলাকার প্রায় দুই লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্র খোলা ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ দফা উদ্যোগ
হাটহাজারীতে পুলিশ সোর্সকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা
মুগদা ও শেরেবাংলা নগরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ২৪
বাঁশখালীতে পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডব, স্রোতে ভেসে দুই শিশুর মৃত্যু
চট্টগ্রামের ৮০ শতাংশ এলাকা পানিমুক্ত: নিচু এলাকায় চলছে উদ্ধার
সাতকানিয়ায় বন্যার স্রোতে কবরস্থান থেকে ভেসে এল তিন লাশ

আরও পড়ুন

দক্ষিণ চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা: পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ, সংকট তীব্র
টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন পানির নিচে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশের মতো উপজেলাগুলোতে অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এই বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলের পানি এখানকার ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা তলিয়ে দিয়েছে। ওই এলাকার প্রায় দুই লাখ মানুষ এখন পানিবন্দি। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্র খোলা ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ দফা উদ্যোগ
হাটহাজারীতে পুলিশ সোর্সকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা
মুগদা ও শেরেবাংলা নগরে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার…
বাঁশখালীতে পাহাড়ি ঢলের তাণ্ডব, স্রোতে ভেসে দুই শিশুর…
চট্টগ্রামের ৮০ শতাংশ এলাকা পানিমুক্ত: নিচু এলাকায় চলছে…
সাতকানিয়ায় বন্যার স্রোতে কবরস্থান থেকে ভেসে এল তিন…