মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে এশিয়া-ইউরোপে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহ সচল রাখতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানে জোর দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ কথা জানান। তিনি বলেন, ইরান, লেবানন ও সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে চলমান অস্থিরতার প্রভাব মোকাবেলায় এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে দেশটির সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গত ৩১ মে থেকে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সরকার। পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোতে দক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকারের ২০২৬-৩০ মেয়াদের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষিত ও দক্ষ যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-কাতার সপ্তম যৌথ কমিটির বৈঠকে কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান মন্ত্রী। বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে স্থানীয় চাহিদা যাচাই করে জনশক্তি রপ্তানি বাড়ানোর নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতেও কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে ঢাকা।

