
রুপালী ব্যাংকে নিয়োগ দুর্নীতি: ৫ কর্মকর্তাকে জেরা দুদকের
প্রায় এক দশক আগে সূত্রঘটিত রূপালী ব্যাংকের বৃহৎ নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর অংশ হিসেবে গত ৭ জুলাই কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত দলটি এই জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আহূত কর্মকর্তারা হলেন প্রিন্সিপাল অফিসার তাপসী রায়, তানভীর আহম্মেদ চৌধুরী, মনির হোসেন, অমৃত কুমার বারুরী ও মো. আখেরুল ওয়ালি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে অনিয়মের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। দুদক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে ৮০১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মনীতির ব্যত্যয় ঘটেছে। শুধু তাই নয়, পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ এবং গৃহ নির্মাণ ঋণ বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে কমিশন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাইতে সম্প্রতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিসহ বিভিন্ন নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছে দুদক। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সম্পর্কিত খবর
মানিকনগর প্রধান সড়কের উন্নয়ন: ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষের প্রত্যয়
সায়েদাবাদ হবে শুধু সিটি টার্মিনাল, আন্তঃজেলা বাস সরাচ্ছে ডিএসসিসি
দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ২ দিন বন্যা পরিস্থিতি থাকতে পারে
তিন জেলায় নতুন তিন উপজেলা: ফটিকছড়ি উত্তর, দক্ষিণ গফরগাঁও ও…
রাজধানীর বাজারগুলোতে পচে যাচ্ছে জনজীবন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ দুই সিটি…
দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধজাহাজ, নেদারল্যান্ডসের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা

আরও পড়ুন

রুপালী ব্যাংকে নিয়োগ দুর্নীতি: ৫ কর্মকর্তাকে জেরা দুদকের
প্রায় এক দশক আগে সূত্রঘটিত রূপালী ব্যাংকের বৃহৎ নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর অংশ হিসেবে গত ৭ জুলাই কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত দলটি এই জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আহূত কর্মকর্তারা হলেন প্রিন্সিপাল অফিসার তাপসী রায়, তানভীর আহম্মেদ চৌধুরী, মনির হোসেন, অমৃত কুমার বারুরী ও মো. আখেরুল ওয়ালি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে অনিয়মের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। দুদক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে ৮০১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মনীতির ব্যত্যয় ঘটেছে। শুধু তাই নয়, পদোন্নতি, প্রশিক্ষণ এবং গৃহ নির্মাণ ঋণ বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে কমিশন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাইতে সম্প্রতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিসহ বিভিন্ন নথিপত্র চেয়ে পাঠিয়েছে দুদক। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সম্পর্কিত খবর
মানিকনগর প্রধান সড়কের উন্নয়ন: ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষের…
সায়েদাবাদ হবে শুধু সিটি টার্মিনাল, আন্তঃজেলা বাস সরাচ্ছে…
দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ২ দিন বন্যা পরিস্থিতি…
তিন জেলায় নতুন তিন উপজেলা: ফটিকছড়ি উত্তর, দক্ষিণ…
রাজধানীর বাজারগুলোতে পচে যাচ্ছে জনজীবন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ…
দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধজাহাজ, নেদারল্যান্ডসের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা