
পাহাড় কাটা বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, সরে যেতে বললেন চসিক মেয়র
চট্টগ্রামের চশমা পাহাড় এলাকায় সাম্প্রতিক পাহাড়ধসে প্রাণ হারানো শিশুর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। এসময় তিনি পাহাড় কেটে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মেয়র বলেন, অতীতে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে খাড়া করে ফেলায় পুরো এলাকা এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই অপরাধে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় এ ধরনের প্রাণহানি বন্ধ করা সম্ভব হবে না। তিনি জানান, তার মেয়র থাকাকালীন পাহাড় কাটা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও জানান, টানা ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়গুলো এখনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে আবারও ধস নামতে পারে। এ কারণে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। জেলা প্রশাসন ও চসিকের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আরবান হেলথ সেন্টারগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সেখানে খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
সবুজ অর্থনীতিতে বাংলাদেশ: ২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য
জামায়াত এমপি তাহেরের নেতৃত্বে সংসদে সরকারি হিসাব কমিটি গঠন
লবণচাষিদের স্বল্পসুদে ঋণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ
চাকরির আগেই টাকা লেনদেন? মালয়েশিয়াগামীদের জন্য সরকারের কঠোর সতর্কতা
বজ্রপাতে প্রাণহানি রোধে ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত
ইউরোপে কর্মসংস্থান: আনসারের ৩০০ নারী সদস্যের ডিজিটাল বাছাই শুরু

পাহাড় কাটা বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, সরে যেতে বললেন চসিক মেয়র
চট্টগ্রামের চশমা পাহাড় এলাকায় সাম্প্রতিক পাহাড়ধসে প্রাণ হারানো শিশুর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। এসময় তিনি পাহাড় কেটে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মেয়র বলেন, অতীতে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে খাড়া করে ফেলায় পুরো এলাকা এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই অপরাধে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় এ ধরনের প্রাণহানি বন্ধ করা সম্ভব হবে না। তিনি জানান, তার মেয়র থাকাকালীন পাহাড় কাটা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও জানান, টানা ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়গুলো এখনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে আবারও ধস নামতে পারে। এ কারণে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। জেলা প্রশাসন ও চসিকের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আরবান হেলথ সেন্টারগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সেখানে খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
সবুজ অর্থনীতিতে বাংলাদেশ: ২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য…
জামায়াত এমপি তাহেরের নেতৃত্বে সংসদে সরকারি হিসাব কমিটি…
লবণচাষিদের স্বল্পসুদে ঋণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের বিভিন্ন…
চাকরির আগেই টাকা লেনদেন? মালয়েশিয়াগামীদের জন্য সরকারের কঠোর…
বজ্রপাতে প্রাণহানি রোধে ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির…
ইউরোপে কর্মসংস্থান: আনসারের ৩০০ নারী সদস্যের ডিজিটাল বাছাই…
